জুনে ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ
জুনে ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশছবি: প্রথম আলো

প্রস্তাবটা এসেছে ওমান ফুটবল ফেডারেশন থেকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) তারা বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের বাংলাদেশের বাকি তিনটি ম্যাচ ওদের দেশে আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছে।

আফগানিস্তান, ওমান ও ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের তিনটি হোম ম্যাচই আয়োজন করতে চায় ওমান। কিন্তু ওমানের এই প্রস্তাবে ‘না’ করে দিয়েছে বাংলাদেশ।

গত নভেম্বরে এএফসির কম্পিটিশন কমিটির সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডের বাকি ম্যাচগুলো ১৫ জুনের মধ্যে শেষ করতে হবে।

সেই সূচি অনুযায়ী আগামী ২৫ মার্চ বাংলাদেশ খেলবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ৭ জুন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। বাংলাদেশ শেষ ম্যাচটি খেলবে ১৫ জুন, ওমানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের সব কটি ম্যাচই হবে সিলেট স্টেডিয়ামে।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু ওমান প্রস্তাব দিয়েছে আগামী ২৪, ২৭ ও ৩০ মার্চ বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ একই সঙ্গে যেন ওমানে গিয়ে খেলেন জামাল ভূঁইয়ারা।

মূলত করোনা পরিস্থিতির কারণেই ওমানসহ আরও কয়েকটি দেশের প্রস্তাব, বিভিন্ন দেশে গিয়ে দলগুলোর খেলার চেয়ে যেকোনো একটা দেশে খেললেই ফুটবলারদের জন্য ভালো হবে।

default-image

সে ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিন সময়, স্বাস্থ্যঝুঁকি, অনুশীলনের সময়—সবকিছুই কমে যাবে। একই দেশে গিয়ে সবাই যদি নিরাপদে খেলতে পারে, তাহলে দ্রুত ম্যাচগুলোও শেষ হয়ে যাবে। অথচ ফিফার সূচি অনুযায়ী খেলতে হলে প্রতিটি দেশের খেলোয়াড়কে আলাদা আলাদা দেশে গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকা লাগবে।

ওমান অবশ্য নিজেদের কথা ভেবেই এমন প্রস্তাব দিয়েছে। যে প্রস্তাবে সায় রয়েছে কাতারেরও। তাই ওমানের পাশাপাশি কাতার ফুটবল ফেডারেশনও একই রকম প্রস্তাবনার চিঠি বাফুফেতে পাঠিয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশ তাদের ঘরের মাঠের সুবিধা কিছুতেই হাতছাড়া করতে রাজি নয়।

আজ জাতীয় দল কমিটির সভা শেষে বাফুফের সহসভাপতি ও দল ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ওমান, আফগানিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে বাকি যে তিনটি ম্যাচ আছে, সেগুলো ওমানে গিয়ে খেলার একটা প্রস্তাব এসেছে। ওমান এই প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি কাতারও দিয়েছে। আমরা তাদের প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি। কিন্তু আমরা আমাদের ম্যাচগুলো ফিফার সূচি অনুসারে বাংলাদেশে খেলতেই আগ্রহী।’

যদি ফিফা সে ক্ষেত্রে এমন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে কী হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে কাজী নাবিল বলেন, ‘ফিফা বা এএফসি যদি কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেটা ভিন্ন কথা। পরবর্তী সময়ে আমরা সেটা নিয়ে আলোচনা করব। বর্তমানে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে দেখেছি যে আমরা ঘরের মাঠের সুবিধাটা কাজে লাগাতে চাই।’

default-image

জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে ইংল্যান্ড থেকে ঢাকায় আসবেন আগামীকাল। এরপর তিনি সরকারি নিয়ম অনুসারে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। তবে ঘরে বসেই তিনি টেলিভিশনে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচগুলো দেখবেন এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।

১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে প্রিমিয়ার লিগ। এরপর লিগের বিরতি দিয়ে জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু করবেন জেমি ডে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন