রোমাঞ্চ যেখানে, সেখানে ভয় পাওয়ার প্রশ্নই নেই। ইংল্যান্ডকে নিয়ে, ওয়েম্বলির দর্শক নিয়ে মোটেও ভীত নয় ইতালি। গোটা ইউরোয় তাদের যে পারফরম্যান্স, তাতে ভয় পাওয়ার প্রশ্নই নেই, উল্টো কতক্ষণে শিরোপা জিতে সাফল্যের সঙ্গে মিশন শেষ করা যাবে—শিবিরজুড়ে এখন ভাবনাটা এমন। কিন্তু তাতে প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ডের প্রতি শ্রদ্ধার এতটুকু কমতি নেই ভেরাত্তি কিংবা তাঁর দলের, ‘দেখুন আমরা ওয়েম্বলির মতো মাঠে খেলতে অভ্যস্ত। এটা বরং আমাদের প্রেরণা জোগায়, শক্তি জোগায়। আমরা ওয়েম্বলিতে দর্শকের ভয়ে ভীত নই। ডেনমার্কের বিপক্ষে জিতে ইংল্যান্ড ফাইনালে উঠেছে। আমরাও ফাইনালে উঠেছি স্পেনকে হারিয়ে। এখন একটা ঐতিহাসিক ফাইনালের অপেক্ষাতেই আছি আমরা।’

ওয়েম্বলি সব সময়ই ইংলিশদের জন্য ‘পয়া’ ভেন্যু। এ মাঠেই ৫৫ বছর আগে, ১৯৬৬ সালে জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এ মাঠে সর্বশেষ ১৭ ম্যাচের ১৫টিতেই জিতেছে গ্যারেথ সাউথগেটের দল। সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এই ১৭ ম্যাচে এ মাঠে ইংল্যান্ডের গোল ৪৬টি। তারা গোল খেয়েছে মাত্র ৫টি। তবে ইতালির প্রেরণার বড় উৎস সেমিফাইনাল। স্পেনের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এ মাঠেই তো জিতেছে তারা। এ মাঠেই দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ইতালি জিতেছে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে।

ইংল্যান্ডের রেকর্ড ওয়েম্বলিতে খুব ভালো হতে পারে, কিন্তু এটি ভেরাত্তিকে খুব একটা ভাবাচ্ছে না। বরং ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ইউরো জয়ের রোমাঞ্চ তাঁকে আরও বেশি প্রেরণা দিচ্ছে, ‘ইংল্যান্ড খুবই ভালো দল। যোগ্যতর দল হিসেবেই তারা ফাইনালে উঠেছে। তবে আমরাও প্রস্তুত। ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ইউরো জেতাটা আমাদের জন্য স্বপ্ন।’

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের পাওয়া বিতর্কিত পেনাল্টিটি নিয়ে খোঁচা দিতে ভোলেননি ভেরাত্তি, ‘আমরা ম্যাচটা সবাই একসঙ্গে দেখেছি। পেনাল্টিটা দয়ায় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। আমি রেফারি হলে ওটা পেনাল্টি দেওয়ার কথা ভাবতামই না। খুবই গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি সেটি। ওই গোলেই তো ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। তবে ওটা যে দয়ায় পাওয়া, সেটি আমি বলবই।’