বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুরো ইউরোই অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্যালারিতে দর্শক নিয়ে। ১১টি ভেন্যুতে আয়োজিত এবারের ইউরোর শুরুর দিকে দর্শক সীমিত থাকলেও যত দিন গড়িয়েছে, দর্শক বেড়েছে। ইউরোপের দেশগুলোতে টিকাকরণের কারণে করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় স্বাস্থ্যবিধি শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের প্রতিটি ম্যাচেই দর্শকের ঢল নেমেছে। সেমিফাইনালে ৬০ হাজার দর্শক খেলা দেখেছেন। কাল তো সেটি চলে গেছে নিয়ন্ত্রণের বাইরেই। ইউরোর মতো আসরের ফাইনালে দর্শক খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু সময়টা তো আর স্বাভাবিক নয়। ইংল্যান্ডে করোনা হয়তো নিয়ন্ত্রণে আছে, কিন্তু আরও একটা ঢেউ আসতে কতক্ষণ! এসব ব্যাপারে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

default-image

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন স্বাস্থ্যবিধি শিথিলের। তিনি নির্দিষ্ট করেই বলেছিলেন, ১৯ জুলাই ফ্রিডম ডে থেকে জনগণকে আর মাস্ক পরতে হবে না, সামাজিক দূরত্বও মানতে হবে না। কিন্তু এরই মধ্যে ব্রিটেনে করোনার প্রকোপ বেড়েছে, পাওয়া গেছে ডেলটা ভেরিয়েন্টের অস্তিত্বও। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সময়ই অবশ্য সেটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টেকনিক্যাল প্রধান মারিয়া ফন কার্কহোভ মনে করেন, ওয়েম্বলিতে কাল যা দেখা গেছে, সেটি রীতিমতো ‘বিধ্বংসী’ একটা ব্যাপার। হাজার হাজার দর্শক ফাইনাল উপলক্ষে স্টেডিয়ামে ভিড় জমিয়েছেন। তাঁরা রীতিমতো উৎসব করেছেন। যে ভিড় ছড়িয়ে পড়েছে রেলস্টেশন, বাস স্টপেজ, রেস্তোরাঁ, পানশালা—সর্বত্র।

default-image

কার্কহোভ টুইটারে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘চোখের সামনে যদি কাউকে সংক্রমিত হতে দেখেন, তাহলে কারোরই ভালো লাগার কথা নয়। করোনা আজ রাতে বিরতি নেয়নি। সে এই বিশাল জনসমাগমে মাস্ক ছাড়া ব্যক্তিদের মধ্যে ডেলটা ভেরিয়েন্ট ছড়াবে অট্টহাসি হেসেই। ভয়াবহ একটা অবস্থা।’

টিকাকরণের মধ্যেই সারা পৃথিবীতে করোনার দাপট কমেনি। গত সপ্তাহে নতুন করে ২৬ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মানুষ ইউরোপের। ইউরোর কারণেই করোনা সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন