বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৫ দলকে আজ লটারির মাধ্যমে চার গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ৩ গ্রুপে ৪টি করে দল, একটি গ্রুপে আছে ৩টি দল। ৩ দলের গ্রুপ ‘এ’। শিরোপাপ্রত্যাশী আবাহনী লিমিটেডের সঙ্গে আছে প্রিমিয়ারে নবাগত স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ ও রহমতগঞ্জ।

‘ডি’ গ্রুপকে কেউ কেউ ‘মৃত্যুকূপ’ বলছেন। এই গ্রুপে আছে বসুন্ধরা কিংস, চট্টগ্রাম আবাহনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও নৌবাহিনী। ‘গ্রুপ অব ডেথ’ বলতে হবে ‘সি’ গ্রুপকেও। এই গ্রুপে খেলছে মোহামেডান, সাইফ স্পোর্টিং, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

default-image

সংস্কারকাজ চলমান থাকায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এ মৌসুমে কোনো ম্যাচ হবে না ঘরোয়া ফুটবলে। তাই এবার স্বাধীনতা কাপ ও ফেডারেশন কাপ হবে কমলাপুর স্টেডিয়ামে। মজার ব্যাপার, স্বাধীনতা কাপের ফাঁকেই ১১ থেকে ২২ ডিসেম্বর কমলাপুরে হবে সাফ অনূর্ধ্ব–১৯ নারী ফুটবল।

দুটি টুর্নামেন্ট একসঙ্গে কমলাপুরে পরিচালনার ব্যাপারে আজ ড্র অনুষ্ঠানে বাফুফের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘সাফ সচিবলায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে দুটি টুর্নামেন্ট চালাব আমরা কমলাপুরে। সেখানে ফ্লাডলাইট আছে। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। নারী ফুটবলের দিন স্বাধীনতা কাপের ম্যাচ রাখা হবে না।’

কিন্তু কমলাপুর স্টেডিয়ামের টার্ফ এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকটা খেলার অনুপযোগী। এই টার্ফে খেলে ফুটবলাররা চোটে পড়েন অনেক বেশি। খেলার মান ভালো হয় না। মূলত নিচের দিকে লিগগুলো এখানে হয়। শীর্ষ স্তরের কিছু ম্যাচও হয়েছে আগে। তবে ইতিপূর্বে মোহামেডানসহ প্রিমিয়ার লিগের বেশ কয়েকটি দল কমলাপুরে খেলতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু এবার স্বাধীনতা কাপ ও ফেডারেশন কাপ এই মাঠে আয়োজনে অনড় বাফুফে।

default-image

অনেকে বলছেন, সব দলকে ঢাকার বাইরে নিয়ে স্বাধীনতা কাপ আয়োজন করা যেত। যেমন সিলেট স্টেডিয়ামের কথা বলছেন অনেকে। এমন উদ্যোগ কি নেওয়া যেত না? এমন প্রশ্নে সালাম মুর্শেদী আর্থিক ও করোনাকে কারণ হিসেবে দেখান, ‘করোনা একটা সমস্যা। তা ছাড়া আমরা সব ক্লাবকে সিলেটে নিলে খরচ হতো অনেক। সিলেটে গেলে ঢাকার মতো প্রচার হতো না। তাই কমলাপুরে করা।’

অনেকে অবশ্য বলছেন, মূলত আর্থিক কারণেই ঢাকার বাইরের স্বাধীনতা কাপ আয়োজনে চিন্তা করেনি বাফুফে। সালাম অবশ্য বলেন, ‘সব দল শেষ পর্যন্ত কমলাপুরে ফেডারেশন কাপ ও স্বাধীনতা কাপ কমলাপুরে খেলতে রাজি হয়েছে।’

প্রশ্ন এসেছে রেফারিং নিয়েও। ঢাকার রেফারিরা অনেক কিছু এড়িয়ে যান। কিন্তু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পার পান না বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সম্প্রতি যেমন মালদ্বীপে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং শ্রীলঙ্কায় চার জাতি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ যেমন পেনাল্টি পেয়েছে, আবার শেষ দিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে পেনাল্টিও হয়েছে। যার পরিণতিতে দুটি টুর্নামেন্টেই বাংলাদেশ খেলতে পারেনি ফাইনালে।

default-image

কাজেই ঘরোয়া ফুটবলে রেফারিং উন্নত করার বিকল্প নেই বলছেন সবাই। এ–সংক্রান্ত এক প্রশ্নে সালাম মুর্শেদীর কথা, ‘আমরা রেফারিংয়ের মান উন্নয়নে গত সপ্তাহে একটি কোর্স করেছি। রেফারি ভুল সিদ্ধান্ত দিলে সব চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অতীতের ভুল শুধরে আমরা এগিয়ে যাব। রেফারিংয়ের প্রতি আরও নজর দেব।’

স্বাধীনতা কাপের গ্রুপিং:

গ্রুপ ‘এ’: আবাহনী লিমিটেড, রহমতগঞ্জ, স্বাধীনতা সংঘ।

গ্রুপ ‘বি’: শেখ জামাল ধানমন্ডি, শেখ রাসেল, উত্তর বারিধারা, বিমানবাহিনী।

গ্রুপ ‘সি’: সাইফ স্পোর্টিং, মোহামেডান স্পোর্টিং, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গ্রুপ ‘ডি’: বসুন্ধরা কিংস, চট্টগ্রাম আবাহনী, বাংলাদেশ পুলিশ, নৌবাহিনী।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন