default-image

করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ার খবরটা নিজের ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছিলেন ২৯ জুলাই। বার্সেলোনার সাবেক তারকা জাভি হার্নান্দেজ চেয়েছিলেন দ্রুতই ফুটবল মাঠে ফিরতে। কাতারের ক্লাব আল সাদের কোচ বর্তমানে সেখানেই আছেন। করোনা থেকে সেরে উঠলেও স্বাস্থ্যবিধি ভাঙায় জরিমাণা গুনতে হয়েছে তাঁকে।

শুধু জাভি নয়, সে দেশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ লিগের ফুটবলার ও স্টাফের একই কারণে জরিমানা করেছে কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। প্রত্যেককে গুনতে হয়েছে ৭২০০ ডলার করে জরিমানা। এক বিবৃতিতে কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ‘জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা আইনের অংশ হিসেবে তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা মানেননি।’

করোনার কারণে স্থগিত হওয়া কাতার স্টারস লিগ (কিউএসএল) আবার শুরু হয়েছে গত ২৪ জুলাই থেকে। আল সাদ এই লিগে খেলছে। খেলা শুরু হলেও কঠোরভাবে মানা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে কঠোরভাবে। খেলোয়াড় ও স্টাফদের করোনার পরীক্ষা করা হচ্ছে। গণমাধ্যম নিষিদ্ধ করা হয়েছে মাঠে। ইউরোপিয়ান লিগের খেলোয়াড়, কোচদের মতো কাতার লিগের সবাইকে কোয়ারেন্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাভির কোয়ারেন্টিনে থাকার সময় শেষ হওয়ার কথা ২২ আগস্ট। কিন্তু এর আগেই তিনি ঘর থেকে বের হন।

কিউএসএলের কম্পিটিশন কমিটির পরিচালক আহমেদ আব্বাসি জানিয়েছেন, ‘করোনার বিস্তার এড়াতে সব খেলোয়াড় ও কোচ হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে রাজি হয়ে একটি চুক্তি সই করেছিলেন।’ কিন্তু সেটা মানা হয়নি বলেই এমন জরিমাণা গুনতে হয়েছে জাভির। এ ছাড়া আল সাদের ফুটবলার হাম্মাম আল-আমিন ও আবদুল করিম হাসানকেও ২৭০০ ডলার জরিমানা করা হয়েছে। শুধু তাই নয় অন্য দলগুলো যেন এমনটা না করে সে ব্যাপারেও সর্তক করে দিয়েছে কাতার ফুটবলের ডিসিপ্লিনারি কমিটি।

কাতার সরকার করোনাভাইরাস বেশ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। করোনায় এখন পর্যন্ত মাত্র ১৭৮ জন মানুষ মারা গেছে কাতারে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0