বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার মাঠের বাইরে বেশ কিছুদিন ধরে। ওদিকে মেসিকে বড়দিনের ছুটির পর থেকেই পাচ্ছে না পিএসজি। দলের পারফরম্যান্সেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। নেইমার চোটে পড়ার পর লিগে পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয় পেয়েছে পিএসজি। কিলিয়ান এমবাপ্পে, আনহেল দি মারিয়া, মাউরো ইকার্দি, ভেরাত্তিরা আছেন; কিন্তু মরিসিও পচেত্তিনো তাঁদের দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল বের করে আনতে পারছেন না।

চোটে পড়া নেইমারকে তো আর নামিয়ে দেওয়া যায় না! ক্লাবই জানিয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে তাঁকে ফেরানোর আশা না করাই ভালো। কিন্তু মেসিকে ফিরতে দেখার ইচ্ছা দিন দিন বাড়ছে প্যারিসিয়ানদের। মেসি তাই নিজেই নিজের হালহকিকতের কথা জানিয়েছেন ইনস্টাগ্রামে।

মহামারি শুরু হওয়ার পর এই প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মেসি। একজন রোগীকে কতটা ভুগতে হয়, সেটা তাই এবারই সরাসরি টের পেয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। করোনার নেতিবাচক প্রভাব তাঁকে যে চমকে দিয়েছে, সেটা টের পাওয়া গেল ইনস্টাগ্রাম পোস্টে, ‘আপনারা জানেন, আমার কোভিড হয়েছিল এবং যাঁরা শুভকামনা জানিয়েছেন, সবাইকে ধন্যবাদ দিতে চাই। আমি স্বীকার করছি, ভালো হতে যত সময় লাগবে ভেবেছিলাম, তার চেয়ে বেশি সময় লাগছে। তবে আমি প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেছি এবং মাঠে নামার জন্য তর সইছে না আমার।’

default-image

আগামীকাল ১৫ জানুয়ারি ব্রেস্তের বিপক্ষে লিগ ম্যাচে নামবে পিএসজি। সে ম্যাচে দেখা না গেলেও খুব দ্রুত ফেরার আশ্বাস দিয়েছেন মেসি, ‘গত কয়েক দিন অনুশীলন করেছি, শতভাগ সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছি। এ বছর অনেক বড় বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে এবং আশা করি, খুব দ্রুত আমাদের দেখা হবে। সবাইকে ধন্যবাদ।’

এদিকে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য হতাশা হয়ে আসতে পারে মেসির অনুপস্থিতি। পিএসজি ও আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশন এর মধ্যে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আগামী দুই ম্যাচে মেসিকে না পাঠানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে। এরই মধ্যে বিশ্বকাপে জায়গা পাকা করে নেওয়া আর্জেন্টিনা ২৭ জানুয়ারি খেলবে চিলির বিপক্ষে। আর কলম্বিয়ার বিপক্ষে তাদের ম্যাচ ১ ফেব্রুয়ারি। বিশ্বকাপে খেলা আগেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় এ দুই ম্যাচে মেসি না থাকায় আর্জেন্টিনার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেসিই নেবেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন