আবারও লিগ শিরোপা জিতেছে আয়াক্স
আবারও লিগ শিরোপা জিতেছে আয়াক্সছবি : এএফপি

ইতিহাসে ৩৪ বার লিগ শিরোপা জিতে ডাচ ফুটবলের শ্রেষ্ঠতম ক্লাব হিসেবে নিজেদের নাম বহু আগেই পাকা করেছিল আয়াক্স। সেই শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটে আরও একটা পালক যুক্ত হলো কাল, আয়াক্স জিতেছে ৩৫ তম লিগ শিরোপা। এম্মেনকে ৪-০ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে এক মৌসুম পর আবারও ডাচ লিগের শিরোপা যাচ্ছে দুসান তাদিচ-ডেলেই ব্লিন্ডদের ঘরে। গোল করেছেন ফরাসি স্ট্রাইকার সেবাস্তিয়েন অলার, ইউরিয়েন টিম্বার, দিভাইন রেনশ ও দাভি ক্লাসেন। তিন ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা নিশ্চিত করেছে তাঁরা।

কিছুদিন আগেই আয়াক্সের কোচ এরিক টেন হাগ টটেনহামের কোচ হিসেবে চলে যেতে পারেন, এমন একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সকল জল্পনা-কল্পনায় পানি ঢেলে প্রিয় আয়াক্সের সঙ্গেই চুক্তি নবায়ন করেছিলেন তিনি। এর কিছুদিন পর শিষ্যরাই কোচকে দিলেন দুর্দান্ত এক উপহার।

বিজ্ঞাপন
default-image

করোনার কারণে গতবার ইউরোপে যেসব লিগ মৌসুম বাতিল করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে এই ডাচ লিগ ছিল অন্যতম। কিন্তু তার আগেরবার ঠিকই শিরোপা গিয়েছিল আয়াক্সের ঘরে। এক বছর পর দলটা আবারও জানিয়ে দিল, তাঁদের শিরোপা ক্ষুধায় একটুও মরচে পড়েনি। অবশ্য সেবার লিগ বাতিল না হলেও আয়াক্সই লিগের শীর্ষে ছিল। ফলে বলা যেতেই পারে, লিগ বাতিল হওয়ার কারণে ক্ষতিটা তাদেরই হয়েছিল। দুই সপ্তাহ আগে ভিতেসে আর্নহেমকে কাপ ফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়েছিল দলটা। ফলে নিশ্চিত হয়ে গেল, এবারও লিগ ও কাপের ডাবল যাচ্ছে তাঁদের ঘরে।

সব মিলিয়ে গত দশ বছরে পাঁচবার লিগ শিরোপা জিতল আয়াক্স। লিগ জিতে যারপরনাই খুশি কোচ টেন হাগ, 'আমরা গোটা মৌসুম জুড়েই দুর্দান্ত খেলেছি। খারাপ দিন গেছে, এমনটা খুব কমই হয়েছে। যে কারণে আমরা ম্যাচ হেরেছি অনেক কম। এই মৌসুমটাকে আমি দশের মধ্যে আট বা সাড়ে সাত দেব।'

default-image

শিরোপা জেতার জন্য আয়াক্স যে কতটা ক্ষুধার্ত ছিল, সেটা বোঝা গেছে অধিনায়ক দুসান তাদিচের কথায়। সাউদাম্পটনের সাবেক এই উইঙ্গার জানিয়েছেন, 'আমি এই শিরোপা চেয়েছিলাম। এই ক্লাব চেয়েছিল। ক্লাবের মানুষ, সমর্থকরা চেয়েছিল। আমি এখনও শিরোপা জেতার জন্য ক্ষুধার্ত, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।' লক্ষ্য পূরণের পথে তাদিচ নিজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ১৪ গোল করার পাশাপাশি সহায়তা করেছেন ১৬ গোলে।

default-image

দলের সঙ্গে শিরোপাজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে আয়াক্সের সমর্থকেরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে গিয়েছিলেন দলের মাঠ ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনাতে। করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বালাই ছিল না।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন