default-image

ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা মূল একাদশে রাহিম স্টার্লিং আর কেভিন ডি ব্রুইনিয়াকে নামাননি এই ম্যাচে। কে জানে, হয়তো ভেবেছিলেন বোর্নমাউথের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজের সবচেয়ে বড় দুই শক্তিকে বাইরে রেখেই জিতে যাবেন হেসেখেলে!

জিতেছেন সত্যি। তবে সেটা হেসেখেলে নয়। অন্তত শেষ আধাঘন্টায় বোর্নমাউথের খেলা দেখলে সেটা দাবি করার জো নেই যে!

শুরুটা অসাধারণ হয়েছিল সিটির। মাত্র ছয় মিনিটেই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ডেভিড সিলভার নয়নজুড়ানো এক ফ্রি-কিকে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। শুধু গোল করেই ক্ষান্ত হননি এই বর্ষীয়ান স্প্যানিশ তারকা। পরের গোলেও সহায়তা করেছেন। ৩৯ মিনিটে তাঁর কাছ থেকেই বল নিয়ে গোল করেছেন ব্রাজিলের স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুস। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ম্যানচেস্টার সিটি।

দ্বিতীয়ার্ধে আস্তে আস্তে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করে বোর্নমাউথ। বোর্নমাউথের উদ্যমী ফুটবল দেখেই কি না, রহিম স্টার্লিংকে মাঠে নামিয়ে দেন পেপ গার্দিওলা। ৭৩ মিনিটে বোর্নমাউথের ইংলিশ ডিফেন্ডার স্টিভ কুকের সঙ্গে সংঘর্ষে ডি-বক্সের মধ্যে পড়ে যান জেসুস। পেনাল্টি পায় ম্যানচেস্টার সিটি। কিন্তু রেফারি ভিএআর দিয়ে পরীক্ষা করলে দেখা যায়, জেসুসের পড়ে যাওয়ার পেছনে কুকের তেমন হাত (কিংবা পা?) ছিল না। ফলে পেনাল্টি সুবিধা কেড়ে নেওয়া হয় সিটির কাছ থেকে।


এই সিদ্ধান্তের ফলে যেন আরও উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠে বোর্নমাউথ। বেশ কয়েকটা আক্রমণ চালায় তারা। গোলমুখে শট করেন ক্যালাম উইলসন, জেফারসন লারমা ও জশ কিংরা। শেষমেশ ভালো খেলার পুরস্কার পায় বোর্নমাউথ, ম্যাচের শেষদিকে এসে গোল করে ব্যবধান কমান তরুণ ওয়েলশ তারকা ডেভিড ব্রুকস।

এই জয়ে ৩৬ ম্যাচ শেষে ৭৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। শীর্ষে যথারীতি চ্যাম্পিয়নশিপ নিশ্চিত করা লিভারপুল।

ওদিকে নিউক্যাসলের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জিতেছে টটেনহাম হটস্পার। জোড়া গোল করেছেন হ্যারি কেন, বাকি গোলটা সন হিউং মিনের। নিউক্যাসলের হয়ে সান্ত্বনার গোলটা করেন ম্যাট রিচি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0