বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তারপরও তুলনামূলক ভালো খেলেছে বড় আবাহনীই। অভিজ্ঞ ফুটবলার বেশি এই দলটিতে। সেই অভিজ্ঞতা আর ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের জোরে আবাহনীর এই জয়। ৩৪ মিনিটে প্রথম গোল পেয়েছে মারিও লেমোসের দল। নিজেদের সীমানা থেকে বল নিয়ে মাঝমাঠ পেরিয়ে বক্সে ক্রস করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রাফায়েল। বক্সের ওপরে বল পান সানডে। শরীরের সঙ্গে লেগে থাকা চট্টগ্রাম আবাহনীর ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে বুক দিয়ে বল নামিয়ে বাঁ পায়ের দারুণ প্লেসিংয়ে ১-০ করেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার।

default-image

পরপরই আবাহনীর আক্রমণ সামলাতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল প্রায় খেয়ে যাচ্ছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু বল পোস্টে লাগায় রক্ষা। তবে বিরতির পর দ্বিতীয় গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয়নি বড় আবাহনীকে। সানডের ঠেলে দেওয়া বল বক্সের ঠিক ওপর থেকে বাঁ পায়ের দারুণ শটে ২-০ করেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মামুনুল। এরপর গোললাইন থেকে চট্টগ্রাম আবাহনীকে রক্ষা করেন ডিফেন্ডার মনির আলম।

default-image

আবাহনীর এই জয়ে দুই গোলদাতার পাশাপাশি বড় অবদান রেখেছেন গোলকিপার শহিদুল আলম। ২-০ হওয়ার পর চট্টগ্রাম আবাহনীর ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার নিক্সন গিয়াহামের হেড ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দিয়েছেন সোহেল। কাদামাঠে ঠিক সময় পোস্ট ছেড়ে বেরিয়েছেন। এদিন একবারও বল হাত ফসকায়নি তাঁর।

মোহামেডানের সঙ্গে আগের ম্যাচে ড্রয়ের পর জয়ে ফিরেছে আবাহনী। ১৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৬। তবে শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা কিংসের চেয়ে আবাহনী এখনো ১৩ পয়েন্ট পিছিয়ে। ছয়বারের পেশাদার লিগ চ্যাম্পিয়নরা মূলত লড়ছে দ্বিতীয় স্থানটির জন্য। চট্টগ্রাম আবাহনী ১৭ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের পাঁচে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন