বিজ্ঞাপন

কলকাতা মোহামেডান ভারতের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী একটা ক্লাব। এই ক্লাবে খেলতে নামার আগে বেশ নির্ভারই মনে হলো জামালকে, ‘আমি জানি যে কোনো বড় দলে খেলা একটা চাপ। তবে আমি কোনো চাপ নিচ্ছি না। যেখানেই ফুটবল খেলতে যাই না কেন, চাপ তো থাকবেই। আর চাপ সামলাতে না পারলে ফুটবল খেলা যাবে না। তাই মাঠে নামা নয়, আমি নিজের খেলার ওপরই নজর দেব।’

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচটি ২০১৯ সালে হয়েছিল কলকাতার যুব ভারতী স্টেডিয়ামে। আগামীকাল এই মাঠেই অভিষেক হতে পারে জামালের। বাংলাদেশের হয়ে জামাল আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন, ঘরোয়া ফুটবলে খেলেছেন সাইফ স্পোর্টিং ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে। সেই অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগাতে চান কলকাতা মোহামেডানের জার্সিতে, ‘আমি দেশের হয়ে যে বড় ম্যাচগুলো খেলেছি, সেগুলোর অভিজ্ঞতা অবশ্যই এখানে কাজে লাগাব। আমাদের দলে যারা তরুণ আছে, তাদের কাছেও নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করতে পারব।’

default-image

সমর্থকদের জন্য সুসংবাদই দিতে চাইলেন জামাল, ‘আমি আশা করি, সমর্থকেরা একটি ক্ষুধার্ত দল দেখতে পাবে মাঠে, যারা জয়ের জন্যই খেলবে। দলও নিশ্চয়ই সমর্থকদের ভালো কিছু দিতে চাইবে মাঠে।’

আগামী রোববার বাংলাদেশের মৌসুম সূচক টুর্নামেন্ট ফেডারেশন কাপে প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলবে জামালের ক্লাব সাইফ স্পোর্টিং। যেখানে প্রতিপক্ষ ফেডারেশন কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। সাইফ স্পোর্টিং থেকে ধারে কলকাতায় খেলতে যাওয়া জামাল সেখান থেকেই শুভকামনা জানালেন নিজের পুরোনো ক্লাবের জন্য, ‘ফেডারেশন কাপজুড়েই ওরা খুব ভালো খেলেছে। আমি চাইব, ফাইনালে যেন সাইফ স্পোর্টিং জেতে এবং প্রথমবারের মতো ফেডারেশন কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন