বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসি মিলানের হয়ে গেল মৌসুমটা দুর্দান্ত কেটেছে দোন্নারুম্মার। কিন্তু সেটিই ছিল তাঁর চুক্তির শেষ বছর। সান সিরো ছাড়বেনই, এমন পরিকল্পনা অবশ্য প্রথমে ছিল না। এসি মিলানের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। নতুন চুক্তিতে যে পারিশ্রমিক চেয়েছেন, সেটি পেলে হয়তো থেকেও যেতেন। কিন্তু দুই পক্ষের ব্যাটে–বলে হয়নি। মিলান সে পরিমাণ পারিশ্রমিক না দিতে চাইলেও কিছুটা বাড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু দোন্নারুম্মা তাতে রাজি হননি। এর মধ্যেই পিএসজি বাৎসরিক এক কোটি ইউরো বেতনে তাঁকে দলে নিয়ে নেয়। ইউরোর পর পিএসজি নিশ্চয়ই নিজেদের সিদ্ধান্তে দারুণ খুশি।

ইনস্টাগ্রামে মিলানকে নিয়ে তাঁর নস্টালজিয়াটা বর্ণনা করেছেন ইউরোজয়ী গোলকিপার, ‘আমি যখন মিলানে আসি, তখন আমি খুব ছোট। কিশোর বয়স থেকে আট বছর ধরে আমি মিলানের জার্সি পরেছি গর্বের সঙ্গেই। আমরা সেখানে একে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া করেছি, কষ্ট সহ্য করেছি, অনেক কিছু জিতেছি, অনেক মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, খেলোয়াড় কিংবা কোচ বা অন্য কেউ, যারা ক্লাবের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়ে রেখেছিল। ভক্তদের কথা কী আর বলব! তারা তো এ পথচলার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। সবাইকে নিয়েই আমরা ছিলাম একটা পরিবারের মতো।’

পিএসজিতে কালই সই করবেন দোন্নারুম্মা। ক্যারিয়ারের উন্নতির জন্যই যে তাঁর এসি মিলান ছাড়া সেটিই তিনি এরপর বলেছেন, ‘কোনো কোনো বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কঠিন। কিন্তু সে সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয় ক্যারিয়ারের স্বার্থে।’

default-image

এবারের ইউরোর সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন দোন্নারুম্মা। ইতালির ফুটবল ইতিহাসে দিনো জফ, ওয়াল্টার জেঙ্গা, জিয়ানলুইজি বুফন, ফ্রান্সেসকো তলদো, জিয়ানলুকা পাগলিউকাদের মতো গোলকিপারদের ভিড়ে নতুন সেনসেশন এই দোন্নারুমা। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টাইব্রেকারে দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে ইতিহাসেই ঢুকে গেছেন এই গোলকিপার।

পিএসজির চেয়ে আনন্দিত, এ মুহূর্তে খুব কম ক্লাবই আছে ইউরোপে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন