default-image

নিজের সময়ের তো বটেই, সর্বকালের সেরা স্ট্রাইকারদের একজন। গোল করার ব্যাপারটা তাঁর চেয়ে অত সহজে খুব কম জনই করতে পারতেন। সেই রোনালদোই যখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তরুণ স্ট্রাইকার মার্কাস রাশফোর্ডে নিজের ছায়া দেখেন, রাশফোর্ড সেটা নিয়ে গর্ব করতেই পারেন!


এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে অভিষেকেই তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলেন রাশফোর্ড। বয়স মাত্র ১৮। তাঁর বয়সী অনেকের পেশাদার ফুটবলেই এখনো যাত্রা শুরু হয়নি। অথচ সেই রাশফোর্ডকে ছাড়া ইউনাইটেডের প্রথম একাদশ এখন ভাবা যায় না। এই মৌসুমে ইংলিশ লিগে ১৫টি ম্যাচ খেলে করেছেন সাত গোল। কয়েক দিন আগেই ইউনাইটেডের অনূর্ধ্ব ১৮ বয়সীদের মধ্যে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন। এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে, তবে রাশফোর্ড তাঁর খেলা দিয়েই জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর ওপর বাজি ধরাই যায়!

রাশফোর্ডের ঠিক এই বয়সেই রোনালদো ব্রাজিল থেকে পাড়ি জমিয়েছিলেন হল্যান্ডে। ১৯৯৪ সালে পিএসভির হয়ে অভিষেক মৌসুমেই ডাচ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন।

ইউনাইটেডের তরুণ স্ট্রাইকারে তাই নিজের ছায়া দেখছেন ‘দ্য ফেনোমেনন’, ‘সে খুবই ভালো একজন তরুণ খেলোয়াড়। অবশ্যই ওকে দেখলে আমার নিজের কথাও একটু মনে পড়ে।

সে খুবই দ্রুতগতির, সাহস আছে, পায়েও কাজ আছে।’ রাশফোর্ডের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎই দেখছেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী এই স্ট্রাইকার, ‘আমার মনে হয় স্ট্রাইকারদের মধ্যে যে গোলক্ষুধা থাকা দরকার সেটা তার আছে। ওর সামনে দারুণ একটা ভবিষ্যৎ​ অপেক্ষা করছে।’

রোনালদোর কথা সত্যি হোক, ইউনাইটেড কোচ লুই ফন গাল মনেপ্রাণেই সেটা চাইবেন! ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ‘নতুন রোনালদো’ সব সময়ই খুঁজবে। সেটা যদি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বদলে দ্য ফেনোমেনন রোনালদোর মতোও হয়, তাতে খুশির কমতি হওয়ার কারণই নেই।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন