বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৩৮ মিনিটের মধ্যেই ২ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল রিয়াল। তখন মনে হচ্ছিল, আরেকটা সহজ জয়ই পকেটে পুরছে লস ব্লাঙ্কোসরা। কিন্তু ম্যাচ যতই এগিয়েছে, রিয়াল-রক্ষণে সমস্যার সৃষ্টি করেছে রায়ো। বেঞ্চ থেকে এসে গোল করে ব্যবধান কমিয়ে দিয়েছিলেন কলম্বিয়ান তারকা রাদামেল ফালকাও। অনেকবারই মনে হয়েছে, আরেকটা গোল করে ম্যাচটা ড্র করতেও পারে রায়ো। কিন্তু শেষমেশ নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ওই বিপদ হতে দেননি রিয়ালের ডিফেন্ডাররা।


শাখতারের বিপক্ষে খেলা লুকা মদরিচ ও লুকাস ভাসকেজ এই ম্যাচে খেলেননি। তাঁদের জায়গায় নামানো হয়েছিল নতুন যোগ দেওয়া ফরাসি মিডফিল্ডার এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা ও মার্কো আসেনসিওকে। ৪-৩-৩ ছকে গোলকিপারের সামনে চার ডিফেন্ডার দানি কারভাহাল, এদের মিলিতাও, ডেভিড আলাবা ও ফারলাঁ মেন্দি, মাঝমাঠে ক্রুস-কামাভিঙ্গার সঙ্গে কাসেমিরো আর আক্রমণভাগে বেনজেমা-আসেনসিওর সঙ্গে ভিনিসিয়ুস। ওদিকে রায়ো নেমেছিল ৪-২-৩-১ ছকে। দলের সবচেয়ে বড় তারকা রাদামেল ফালকাও ছিলেন বেঞ্চে।

default-image

ম্যাচের ৫ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল রিয়াল। কারভাহালের ক্রসে মাথা ঠেকিয়ে ভিনিসিয়ুসের উদ্দেশে গোল করার জন্য হেড করে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন বেনজেমা। ভিনিসিয়ুস গোল করেওছিলেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, বেনজেমা অফসাইডে ছিলেন, এ কারণে সে গোল বাতিল হয়ে যায়। ১১ মিনিটে গোল করার এক সুবর্ণ সুযোগ পান বেনজেমা। কিন্তু আসেনসিওর মাটি কামড়ানো ক্রসে বেনজেমার শট বেশ বাজেভাবেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।


বেনজেমা না পারলেও পেরেছেন ক্রুস। আসেনসিওর সহায়তায় ১৪ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন এই জার্মান মিডফিল্ডার। ২৪ মিনিটে অবশ্য নিজেই গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন আসেনসিও। তবে তাঁর শট আটকে দেন রায়োর মেসিডোনিয়ান গোলকিপার স্টোলে দিমিত্রিয়েভস্কি। ৩৭ মিনিটে কারভাহালের ক্রসে আসেনসিওর আরেক শট একটুর জন্য গোল হয়নি। কিন্তু পরের মিনিটেই নিজেদের দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় রিয়াল।

default-image

সেন্টারব্যাক আলাবা যেন কিছুক্ষণের জন্য পুরোনো রূপ ফিরে পেয়ে লেফটব্যাক হয়ে গিয়েছিলেন। বাঁ প্রান্ত থেকে বক্সে আসা বেনজেমার উদ্দেশে নিখুঁত পাস পাঠালেন। গোল করার জন্য বেনজেমার শুধু ডান পা’টা ঠেকালেই হতো। পরের মিনিটেই আরেক গোল পেয়ে পারতেন বেনজেমা। ভিনিসিয়ুসের শট কোনোভাবে দিমিত্রিয়েভস্কি আটকে দিলেও বল চলে যায় সামনে থাকা বেনজেমার কাছে। সহজ একটা হেড করে গোল করতে পারেননি এই ফরাসি স্ট্রাইকার।


৫০ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল ভিনিসিয়ুসের সামনে। তবে তাঁর শট জালে জড়ানোর আগেই গোললাইন থেকে সরিয়ে দেন রায়োর মিডফিল্ডার অস্কার ভালেন্তিন। পরের ১০ মিনিটে আরও তিনটি সুযোগ নষ্ট করেন, বেনজেমা, আসেনসিও ও ভিনিসিয়ুস। ওদিকে গোলের আশায় বেঞ্চ থেকে নামানো হয় ফালকাওকে।

ফালকাও নামার পর থেকেই যেন আরও বেশি সাহসী হয়ে খেলা শুরু করে রায়ো। ৭৫ মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক স্ট্রাইকার বেবের এক শট পোস্টে লাগে, না হলে ব্যবধান কমিয়ে ফেলত দলটা।


পরের মিনিটেই স্প্যানিশ উইঙ্গার আলভারো গার্সিয়ার ক্রসে মাথা ছুঁয়ে গোল পেয়ে যান ফালকাও। শেষে গোলের আরও কয়েকটা সুযোগ পেলেও সমতায় আর আসতে পারেনি। নিশ্চিত হয়ে যায় শীর্ষেই থাকছে রিয়াল।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন