ক্লাবের 'পেলে'কে বেচতে মানা!

বিজ্ঞাপন
>
default-image

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরাসি উইঙ্গার অ্যান্থনি মার্সিয়ালকে বিক্রি করে দিতে চাচ্ছেন কোচ গুনার সুলশার। কিন্তু ক্লাব কর্তৃপক্ষ কিছুতেই মার্সিয়ালকে বিক্রি করতে রাজি নন। তারা তাঁকে ক্লাবের ‘পেলে’ মনে করেন।

গত দুই বছর ধরেই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মূল একাদশে জায়গা পান না ফরাসি উইঙ্গার অ্যান্থনি মার্সিয়াল। সাবেক কোচ হোসে মরিনহোর সঙ্গে সম্পর্ক একেবারেই ভালো ছিল না। বর্তমান কোচ ওলে গুনার সুলশারের অধীনেও অবস্থার বিশেষ ব্যতিক্রম ঘটেনি। উল্টো সুলশার মার্সিয়ালকে বিক্রিই করে দিতে চাইছেন।

কিন্তু বাঁধ সেধেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ। ইউনাইটেডের সহসভাপতি জোয়েল গ্লেজার চাচ্ছেন না মার্সিয়ালকে বিক্রি করে দেওয়া হোক। কারণটা শুনবেন? তাঁকে নিজের দলের ‘পেলে’ মনে করেন তিনি!

মোনাকো থেকে বছর চারেক আগে ইউনাইটেডে আসার পর মার্সিয়ালকে থিয়েরি অঁরির সঙ্গেই তুলনা করা হতো। প্রতিভা কম ছিল না। এর ঝলকও দেখিয়েছেন সে সময়। সে কারণেই অঁরির সঙ্গে তুলনাটা খুব বাড়াবাড়ি মনে হয়নি। কিন্তু ধীরে ধীরে সে আলো কমেছে। যখন দলের আক্রমণের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার কথা মার্সিয়াল তখন চলে যান সাইড বেঞ্চে। হতাশা গ্রাস করল এই ফরাসি তারকাকে। কোচের সঙ্গে শুরু হলো মনোমালিন্য। হোসে মরিনহো তো তাঁকে দেখতেই পারতেন না। মরিনহো যাওয়ার পর এলেন সুলশার। অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। মার্সিয়ালের চেয়ে মার্কাস রাশফোর্ড, হেসে লিনগার্ড, রোমেলু লুকাকু—এরাই বেশি পছন্দ সুলশারের। ফলে দলে জায়গাটা অনিশ্চিতই হয়ে আছে তাঁর।

গত জানুয়ারিতে ২০২৩ পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন হয়েছে তাঁর। কিন্তু মূল একাদশটা দূর আকাশের তারাই তাঁর কাছে। উল্টো কয়েক দিন আগে প্রিমিয়ার লিগে চেলসির বিপক্ষে ম্যাচে কোচের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। ড্রেসিংরুমে সুলশার যাচ্ছেতাইভাবে রাগ ঝেড়েছেন মার্সিয়ালের ওপর। সব মিলিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যে মার্সিয়াল থাকছেন, জোর গলায় বলা যাচ্ছে না। মার্সিয়ালের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে জুভেন্টাস, ইন্টার মিলানের মতো ক্লাবগুলো। কিন্তু এত কিছুর পরেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সহসভাপতি জোয়েল গ্লেজার চাচ্ছেন না মার্সিয়ালকে বিক্রি করা হোক। কেননা, গ্লেজারের চোখে মার্সিয়াল ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের সমান!

দেখা যাক, সুলশার এখন কি করেন!

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন