কয়েকটি সংখ্যায় এবারের বিশ্বকাপ

বিজ্ঞাপন
default-image
>

বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হয়েছে বেশ কয়েকদিন। কিন্তু এর আনন্দময় রেশটা রয়ে গেছে এখনো। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সে চলছে উৎসব। অন্য দেশগুলি মেলাচ্ছে ‘কী হলে কী হতো’র হিসাব। এবারের বিশ্বকাপের টুকরো টুকরো ঘটনাগুলি হয়তো আরও কিছুদিন আনন্দ-হাসি আর দুঃখ-কান্নার সঙ্গী হবে। এই ফাঁকে কয়েকটি বিশেষ সংখ্যায় বিশ্বকাপের দিকে চোখ ফেরালে কিন্তু মন্দ হয় না...

৫১৯
এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জিতেছেন ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদরিচ, সিলভার বল বেলজিয়ামের এডেন হ্যাজার্ড আর ব্রোঞ্জ বল ফ্রান্সের আতোয়াঁন গ্রিজমান। এই তিন তারকার সম্মিলিত উচ্চতা ৫১৯ সেন্টিমিটার। এটি ১৯৯০ বিশ্বকাপের পর সর্বনিম্ন। নব্বইতে তিন সেরা ফুটবলার সালভাদর শিলাচ্চি, ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লোথার ম্যাথাউসের সম্মিলিত উচ্চতা ছিল ৫১২ সেন্টিমিটার।

১৩৫
এবারের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল উরুগুয়ে ও পর্তুগাল। সে ম্যাচের ডাগআউটে থাকা দুই কোচ উরুগুয়ের অস্কার তাবারেজ ও পর্তুগালের ফার্নান্দো সান্তোসের সম্মিলিত বয়স ছিল ১৩৫ বছর। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের কোচের সম্মিলিত বয়স এর আগে কখনোই এত বেশি হয়নি।

৭২.৫
ক্রোয়েশিয়ার ইভান পেরিসিচ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৭২.৫ কিলোমিটার দৌঁড়েছেন। তবে তিনি ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে স্পেনের জাভি হার্নান্দেজ ও ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে জার্মানির টমাস মুলারকে ছাড়িয়ে যেতে পারেননি। জাভি দৌড়েছিলেন ৮০ কিলোমিটার, মুলার ৮৪ কিলোমিটার।

৪০
গত ৪০ বছর ধরে প্রতিটি বিশ্বকাপের ফাইনালেই বায়ার্ন মিউনিখ অথবা ইন্টার মিলানের প্রতিনিধিত্ব থাকে। এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালেও জার্মান ও ইতালীয় এই ক্লাব দুটির মর্যাদা অক্ষুণ্ন ছিল। ফ্রান্সের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন বায়ার্নের কোরেনতাঁ তোলিসো আর ক্রোয়েশিয়ার হয়ে ইন্টারের ইভান পেরিসিচ।

২১
আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি আর পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপের নক আউট পর্ব গোল না পাওয়ার রেকর্ড এখনো অক্ষুণ্ন। এই দুই তারকা নক আউট পর্বে মোট ২১ ঘণ্টা ১০ মিনিট মাঠে থেকেও গোল পাননি। মেসি বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে ম্যাচ খেলেছেন আটটি, রোনালদো ছয়টি।

১২
এবারের বিশ্বকাপে মোট ১২টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে। এটা নতুন রেকর্ড। এর আগের রেকর্ড ছিল ৬টি—১৯৯৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপে। মরক্কোর আজিজ বুহাদ্দুজ ইরানের বিপক্ষে প্রথম আত্মঘাতী গোলটি করেছিলেন রাশিয়া। রুশ ফুটবলার সের্গেই ইগনাশেভিচ স্পেনের বিপক্ষে আত্মঘাতী গোল করেন সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার হিসেবে। ক্রোয়েশিয়ার মারিও মানজুকিচ করেন বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম আত্মঘাতী গোলটি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন