বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম গোল পেয়ে নিজের আনন্দটা চেপে রাখতে পারেননি মেসি। বোঝাই গেল, গোল পেতে কতটা মরিয়া ছিলেন তিনি, ‘আমি খুবই খুশি যে গোল করতে পেরেছি।’

নতুন জায়গা, নতুন দল, একঝাঁক নতুন সতীর্থ। দীর্ঘদিনের ক্লাব ছেড়ে আসার পর এসবের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া—কাজটা সহজ নয় মেসির মতো তারকার জন্যও। ব্যাপারটি আবারও তুলে ধরেছেন তিনি, ‘আমি পিএসজিতে আসার পর খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। পার্ক দেস প্রিন্সেসে এটা আমার দ্বিতীয় ম্যাচ। আমি ধীরে ধীরে আমার নতুন পরিবেশ, নতুন ক্লাব আর নতুন সতীর্থদের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছি।’

default-image

কাল নেইমার, এমবাপ্পের সঙ্গে মেসির রসায়নটা মন্দ ছিল না। মেসির গোলেও এমবাপ্পের একটা ছোট্ট সহায়তা ছিল। আপাতত নেইমার আর এমবাপ্পের সঙ্গে নিজের সমন্বয়টা ক্ষুরধার করে তোলাই লক্ষ্য মেসির, ‘আমরা যত বেশি একসঙ্গে খেলব, তত বেশি দলের কাজে আসতে পারব। সবাইকে একসঙ্গে উন্নতি করতে হবে। মান বাড়াতে হবে একই সঙ্গে। আমরা আজ ভালো খেলেছি। সামনের ম্যাচগুলোতেও আমাদের নিজেদের সেরাটা দিয়ে যেতে হবে।’

কাল পিএসজির হয়ে মেসির প্রথম গোলটা যে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে এল, এটাও রোমাঞ্চকর এক ব্যাপারই। ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত বার্সেলোনায় পেপ গার্দিওলার অধীনে খেলেছেন মেসি। গার্দিওলা অবশ্য শুভেচ্ছাই জানিয়েছেন মেসিকে, ‘মেসির প্রতি আমার সব সময়ই শুভকামনা আছে। আমি চাই মেসি পিএসজিতে আনন্দে থাকুক এবং এখানকার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করুক। আজ মেসির সঙ্গে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগল।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন