বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথমার্ধে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটেনি, দুই দলই খেলেছে ঘুম-জাগানিয়া ফুটবল। রিয়ালের কাছে বলের দখল ছিল ঠিকই, তবে গোলের স্পষ্ট সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি তাঁরা। সোসিয়েদাদের গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরোর ভুলে একবার গোলের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল রিয়াল, লাভ হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে আড়মোড়া ভেঙে জেগে ওঠে সোসিয়েদাদ। সুইডিশ স্ট্রাইকার আলেক্সান্ডার ইসাকের একটা দুর্দান্ত শট আটকে দেন রিয়ালের বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। সাবেক ক্লাব সোসিয়েদাদের বিপক্ষে বেশ কিছু সুযোগ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন ওডেগার্ড। পারেননি।

তবে প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড দেখা রিয়ালের ফরাসি লেফটব্যাক ফারলান্ড মেন্ডির শঙ্কা ছিল দ্বিতীয়ার্ধে আরেকটি হলুদ দেখে মাঠ থেকে বের হয়ে যাওয়ার। তবে খারাপ একটা ট্যাকল করেও রেফারির চোখ এড়াতে পেরেছেন তিনি। নাহয় দশজনের রিয়ালকে পেলে হয়তো আরেকটু চেপে ধরতে পারত সোসিয়েদাদ।

default-image

ম্যাচে তরুণদের ওপর জিদানের আস্থা রাখার বিষয়টা নজর কেড়েছে। ওডেগার্ড তো ছিলেনই, মূল একাদশে ছিলেন ভিনিসিয়ুস ও রদ্রিগোর মতো তরুণেরা। সঙ্গে পরে সান্তিয়াগো আরিবাস ও মারভিনের মতো তরুণ খেলোয়াড়দের বাজিয়ে দেখেছেন জিদান। তরুণেরাও জিদানকে এ যাত্রায় উদ্ধার করতে পারেননি।

ওডেগার্ডের বদলি হিসেবে এই মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সোসিয়েদাদে যোগ দেওয়া বর্ষীয়ান মিডফিল্ডার ডেভিড সিলভা প্রথমার্ধে না থাকলেও নেমেছিলেন দ্বিতীয়ার্ধে। ম্যাচের ভাগ্য বদলাতে পারেননি তিনিও।

আগামী সপ্তাহে রিয়াল বেতিসের মাঠে খেলতে যাবে রিয়াল। জয়ের দেখা হয়তো সেদিনই পাবে!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন