বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আর্জেন্টাইন ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের খেলোয়াড়দের ওপর মরিচের গুঁড়া স্প্রে করেছে পুলিশ। ইএসপিএন জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমের সামনে গিয়ে মরিচের গুঁড়া স্প্রে করে ব্রাজিলের পুলিশ।

ভিডিওতে দেখা গেছে, খেলোয়াড়েরা শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন এবং পুলিশকে গালাগালও করেছেন। এদিকে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোস্পোর্তে জানিয়েছে, বোকার খেলোয়াড়েরা আতলেতিকো মিনেইরোর ড্রেসিংরুমে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। ম্যাচ অফিশিয়ালরা মিনেইরোর ড্রেসিংরুমে লুকিয়ে ছিলেন।

ম্যাচ শেষে টানেলে হাতাহাতি হয় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে। এর পেছনে রয়েছে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) গোল বাতিল করার সিদ্ধান্ত। আর্জেন্টাইন ক্লাবটির খেলোয়াড়দের দাবি, শেষ ষোলোয় তাদের দুটি বৈধ গোল অবৈধভাবে বাতিল করা হয়েছে। প্রথম লেগে অফসাইডের কারণে ক্লাবটির একটি গোল বাতিল করা হয়।

শেষ ষোলো থেকে ছিটকে পড়ার কারণ রেফারি কি না, এ প্রশ্নের উত্তরে বোকার রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার দিয়েগো গঞ্জালেস বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই। সবাই তা দেখেছে। আমরা গোল করেছি এবং প্রথম লেগেও জয় প্রাপ্য ছিল। এটা কষ্টকর। রেফারিংয়ে নজর দেওয়া উচিত কনমেবলের।’

দক্ষিণ আমেরিকান ক্লাব ফুটবলে সর্বোচ্চ টুর্নামেন্টে কোপা লিবার্তাদোরেসে বোকা ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন। মিনেইরো একবার শিরোপার মুখ দেখেছে। পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করেনি। বোকার সহসভাপতি ও আর্জেন্টিনার সাবেক মিডফিল্ডার হুয়ান রোমান রিকেলমে বলেছেন, মুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেওয়া হলে খেলোয়াড়েরা নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা তো করবেনই।

মিনেইরো সভাপতি সের্হিও কোয়েলিও বোকার খেলোয়াড়দের ওপর বোতল ছুড়ে মারেন, এই অভিযোগ করেন রিকেলমে। এদিকে মিনেইরোর দাবি, তাদের পরিচালক রদ্রিগো কাইতানোর ওপর রড নিয়ে আক্রমণ করেছেন বোকার খেলোয়াড়েরা।

মিনেইরো ড্রেসিংরুমে বোকার খেলোয়াড়েরা যখন হানা দেন, তখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ডিফেন্ডার মার্কাস রোহোকে অগ্নিনির্বাপণ সিলিন্ডার হাতে দেখা গেছে।

আতলেতিকো মিনেইরোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ম্যাচ শেষে বোকার খেলোয়াড়েরা টানেলে এবং ড্রেসিংরুমে হানা দিয়েছেন। নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের থামাতে পারেননি। মারামারির ঘটনায় বোকার পাঁচ খেলোয়াড়কে শনাক্ত করেছে পুলিশ। হোটেলে ফেরার আগে আর্জেন্টাইন ক্লাবটির খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা প্রহরায় পার্শ্ববর্তী পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয় এবং তাদের পক্ষ থেকে ঘটনার জবানবন্দি নেওয়া হয়।

দক্ষিণ আমেরিকা ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল এখনো এই ঘটনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে দুটি ক্লাবের শাস্তি পাওয়া প্রায় নিশ্চিত।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন