ট্রফি হয়তো খুব বেশি নেই শোকেসে। তবে সাফ গেমস, সাফ ফুটবল বা আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ একবারে কম ফাইনালও খেলেনি। মোটা দাগে এ পর্যন্ত ১৩-১৪টি ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ।
আশির দশকে তো সাফ গেমসের ফাইনালে খেলা অভ্যাসই বানিয়ে ফেলেছিল, নব্বইয়ের দশকেও সেটি জারি ছিল। বর্তমান সময়টা হয়তো খারাপ যাচ্ছে, কিন্তু একসময় বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে এই অঞ্চলে ফাইনাল হয়েছে কমই।
কিন্তু সে অর্থে প্রথম ‘ফাইনাল সাফল্য’ ১৯৯৫ মিয়ানমার চার জাতি টুর্নামেন্ট। বাংলাদেশ ওই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কোচ ছিলেন অটো ফিস্টার, অধিনায়ক প্রয়াত মোনেম মুন্না। এর আগেই অবশ্য মিরপুর স্টেডিয়ামে ১৯৮৯ প্রেসিডেন্ট গোল্ড কাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ লাল দল। এরপর ঘরের মাঠে ২০০৩ সাফ ফুটবল জয়ই সবচেয়ে আলোড়িত ব্যাপার, যদিও এর আগেই দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে দীর্ঘপ্রতীক্ষিত সোনা এসেছে ১৯৯৯ কাঠমান্ডু থেকে। জুয়েল রানার নেতৃত্বে সেই জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন শামির সাকির।
দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সোনা জয় ওই একবারই। অনূর্ধ্ব-২৩ বয়সভিত্তিক হওয়ার পর ২০১০ সালে ঘরের মাঠেই আসে এসএ গেমসের সোনা। এখন পর্যন্ত সাফ ফুটবল, সাফ গেমসে একবার করে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।
ঢাকায় চারটি ফাইনালের তিনটিতেই জয়। একমাত্র হার ১৯৮৫ সাফ গেমসে, ফাইনালে ভারতের কাছে টাইব্রেকারে। বাংলাদেশ অধিনায়ক মামুনুল ইসলামও ঘরে খেলা বলে একটু বেশি আশাবাদী হচ্ছেন। দেখা যাক, আজ ফাইনাল-ভাগ্য বাংলাদেশকে আরেকটি ট্রফি জয়ের আনন্দে ভাসায় কি না। আশাটা আরেক জায়গায়ও উঁকি দিচ্ছে। ২০১০ এসএ গেমসও এসেছিল বিদেশি কোচের হাত ধরে। সেই কারিগর ছিলেন জোরান জর্জেভিচ।
আজ কি তবে লোডভিক ডি ক্রুইফের সৌজন্যে আরেকটি ট্রফি?

বাংলাদেশের যত ফাইনাল
১৯৮৪ সাফ গেমস নেপাল হার
১৯৮৫ সাফ গেমস ভারত হার
১৯৮৯ সাফ গেমস পাকিস্তান হার
১৯৮৯ প্রেসিডেন্ট কাপ কোরিয়া বিশ্ব. দল জয়
১৯৯৫ চার জাতি টুর্নামেন্ট মিয়ানমার জয়
১৯৯৫ সাফ গেমস ভারত হার
১৯৯৯ সাফ গেমস নেপাল জয়
২০০০ সাফ ফুটবল ভারত হার
২০০৩ সাফ ফুটবল মালদ্বীপ জয়
২০০৩ আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্ট ভুটান জয়
২০০৫ সাফ ফুটবল ভারত হার
২০০৫ রয়েল চ্যালেঞ্জ কাপ মিয়ানমার হার
২০১০ এসএ গেমস আফগানিস্তান জয়

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন