মান্নাফ রাব্বির কাঁধে চিনেদু ম্যাথু। এ দুজনের একটি করে গোলে রহমতগঞ্জকে ২–০ গোলে হারিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী।
মান্নাফ রাব্বির কাঁধে চিনেদু ম্যাথু। এ দুজনের একটি করে গোলে রহমতগঞ্জকে ২–০ গোলে হারিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী।ছবি: প্রথম আলো

রাতটা নিশ্চয়ই আনন্দে কাটবে চিনেদু ম্যাথুর। চট্টগ্রাম আবাহনীর নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার অবশেষে পেলেন গোলের দেখা। লিগে এরই মধ্যে ১০টি ম্যাচ খেলেছে চট্টগ্রাম আবাহনী, এদিকে গোল পাচ্ছিলেন না ম্যাথু। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে আজ হাসি লেগে ছিল ম্যাথুর মুখে। হাসি ছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মারুফুল হকের মুখেও। রহমতগঞ্জকে ২-০ গোলে হারানোয় অন্য গোলটি যশোরের ফুটবলার মান্নাফ রাব্বির।

চোটের কারণে টানা চার ম্যাচ দর্শক হয়ে আছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর মিডফিল্ডার চার্লস দিদিয়ের। স্থানীয় ফরোয়ার্ড সাখাওয়াত রনিও চোট থেকে ফেরেননি। তারপরও আগের ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল চট্টগ্রামের দলটি। এরপর আজ রহমতগঞ্জের বিপক্ষে পাওয়া জয়ে একটু একটু করে যেন ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে চট্টগ্রাম আবাহনী।

বিজ্ঞাপন
default-image

পুলিশের বিপক্ষে ম্যাচে বক্সে হাত দিয়ে বল ঠেকিয়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন চট্টগ্রাম আবাহনীর ডিফেন্ডার মনজুরুর রহমান। এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজই মাঠে ফিরেছেন তিনি। চট্টগ্রাম আবাহনীর রক্ষণে রহমতগঞ্জের ফরোয়ার্ডরাও আজ সেভাবে আতঙ্ক ছড়াতে পারেননি। যদিও রহমতগঞ্জ কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানী তাজিক স্ট্রাইকার দিলশদ ভাসিয়েভকে আজ খেলাতে পারেননি। মাঝমাঠের ভরসা শাহেদুল আলমও ছিলেন না একাদশে। চোটের কারণে দুজনই দর্শক। স্থানীয় ফরোয়ার্ডদের সঙ্গে আইভরি কোস্টের ক্রিস্ট রেমি কোচের আস্থা রাখতে পারেননি। সব মিলিয়ে একচেটিয়া খেলেছে চট্টগ্রাম আবাহনী।

default-image

ম্যাচের ৭ মিনিটেই প্রথম গোল পেয়ে যায় চট্টগ্রাম আবাহনী। রাকিব হাসানের থ্রু থেকে বক্সে ঢুকে ম্যাথু গোল করেন ঠান্ডা মাথায় ফিনিশিংয়ে। লিগে এটি তাঁর প্রথম গোল। ৪০ মিনিটে নিক্সন বল নিয়ে বক্সে ঢুকেও গোল করতে পারেননি। রহমতগঞ্জের ডিফেন্ডাররা ‘ক্লিয়ার’ করেন সহজেই। ৬১ মিনিটে তো ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারত চট্টগ্রাম আবাহনীর। কিন্তু রাকিবের চমৎকার ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেননি নিক্সন। শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে নেমে গোল করেন মান্নাফ রাব্বি। বাঁ প্রান্ত থেকে নিক্সনের ক্রস, দৌড়ে এসে ডান পায়ের ভলিতে রাব্বি বল জড়ান জালে। অবশ্য ম্যাচের ৯০ মিনিটে একটা সুযোগ পেয়েছিল রহমতগঞ্জ। কিন্তু খলিল ভূঁইয়ার ক্রসে সাব্বির হেড করলেও বল যায় বাইরে।

১০ ম্যাচে ৪ জয়, ৩ ড্র ও ৩ হারে মোট ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে উঠে এল চট্টগ্রাম আবাহনী। আর ৯ ম্যাচে ২ জয়, ২ ড্র ও ৫ হারে মোট ৮ পয়েন্ট নিয়ে রহমতগঞ্জ রইল পয়েন্ট টেবিলের নয়ে।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন