বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জিওভান্নি লো সেলসো, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়াকে আটক করতে এসেছিলেন আনভিসার কর্মকর্তারা। পুলিশ নিয়েই মাঠে ঢুকেছিলেন তাঁরা। বুয়েন্দিয়া আর্জেন্টিনার একাদশে ছিলেন না। আনভিসার দাবি, ইংল্যান্ডের ক্লাবে খেলা এই চার আর্জেন্টাইনকে ব্রাজিলের নিয়ম অনুযায়ী কোয়ারেন্টিন করতে হতো, কিন্তু সেটি না করে ওই চার খেলোয়াড় কোয়ারেন্টিন ছাড়া মাঠে নামায় গোল বাধে ম্যাচে।

default-image

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ব্রাজিলের অফিশিয়ালদের বিশ্বাস, কোয়ারেন্টিন এড়াতে এই চার খেলোয়াড় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। ব্রাজিলের আইন অনুযায়ী, ইংল্যান্ড থেকে আসা বিদেশি ভ্রমণার্থীদের দেশটিতে পা রাখার পর ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন করতে হবে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড় কারাকাস (ভেনেজুয়েলার রাজধানী) থেকে আসার তথ্য দিয়েছেন ইমিগ্রেশনে, জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে খেলেছে আর্জেন্টিনা। তবে অভিযোগ উঠেছে, এই চার খেলোয়াড় ইংল্যান্ডে ছিলেন, এ তথ্য গোপন করে যান ইমিগ্রেশন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে।

ম্যাচের আগেই গুঞ্জন উঠেছিল, ইংল্যান্ডে খেলা আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়ের ব্যাপারে আপত্তি আছে ব্রাজিলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ব্রাজিলের সরকার এই চার খেলোয়াড়কে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন এবং দেশত্যাগের কথা বললেও পরে ম্যাচ খেলতে ভ্রমণের ছাড়পত্র দেয়।

কিন্তু আনভিসার কর্মকর্তারা তাতে কর্ণপাত করেননি। আর্জেন্টিনা দল ম্যাচ স্থগিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ব্রাজিল ছেড়েছে। তবে পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়ে গেছেন অভিযুক্ত চার খেলোয়াড়।

ব্রাজিলের আইন অনুযায়ী, তথ্য গোপন করার শাস্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছর ও জরিমানা। এদিকে টটেনহাম তাদের দুই খেলোয়াড় জিওভান্নি লো সেলসো ও রোমেরোকে জরিমানা করবে বলে জানিয়েছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন