এমন পরিস্থিতিতে গত রাতে টটেনহামের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছে লিভারপুল। ফলে, আজ ম্যানচেস্টার সিটি নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে জিতলেই ৩ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে যাবে। ড্র করলেও এগিয়ে যাবে ১ পয়েন্টে।

প্রতিপক্ষ যেখানে গার্দিওলার দল, সেখানে নিজেদের ২ পয়েন্ট হারানোর যন্ত্রণা অনেক বড় হয়ে দেখা দিতে পারে, সেটা বোঝেন ক্লপ। বোঝেন বলেই পয়েন্ট হারানোর আক্ষেপের সঙ্গে মিশে থাকল সম্ভাব্য লিগ হারানোর আক্ষেপটাও।

default-image

কোনো ইংলিশ ক্লাব কেন আগে এক মৌসুমে চার-চারটা শিরোপা জেতেনি, সেটা বুঝেছেন ক্লপ, ‘ম্যাচটা যথেষ্ট কঠিন ছিল। কিন্তু আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে পারে—এমন একটা দলের বিপক্ষে আমার ছেলেরা যেমন খেলেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। তবে আমি ফলাফলে খুশি নই। তবে খেলোয়াড়দের মতো অত দুঃখী নই। আমার কাজ এখন ওদের বোঝানো যে কেন এমন হতে পারে। ঠিক এ কারণেই কোয়াড্রপল (চার শিরোপা জেতা) জেতা এত কঠিন। এর আগে এই দেশে কোনো ক্লাব যে কীর্তি কেন গড়তে পারেনি, তার পেছনে একটা কারণ আছে তো, তাই না! তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

default-image

৫৬ মিনিটে সন হিয়ুং-মিনের গোল পিছিয়ে পড়া লিভারপুল ১ পয়েন্ট পেয়েছে লুইস দিয়াজের সৌজন্যে। চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই ছন্নছাড়া লিভারপুলকে বদলে দিয়েছিলেন দিয়াজ। কলম্বিয়ান সেই উইঙ্গারই এবারও ত্রাতা হয়েছেন দলের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খেলার ধারার বিপরীতে গোল খেয়ে বসা লিভারপুল সমতায় ফেরে দিয়াজের গোলে।

ম্যাচে ভাগ্যের সহায়তা পাননি বলে মনে করছেন ক্লপ, ‘ছেলেরা ড্রেসিংরুমে অনেক কষ্টে আছে। বড় দলের বিপক্ষে যখন আপনি খেলতে নামবেন, ভাগ্যের সহায়তা একটু লাগেই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন