চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলে হাজারো মানুষকে পিৎজা খাওয়াবেন তিনি

বিজ্ঞাপন
default-image

চ্যাম্পিয়নস লিগ অনেকের কাছে বিশ্বকাপের চেয়েও আকর্ষণীয়। তুলনা নয়, ইউরোপসেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার মাহাত্ম্য বোঝাতে এ প্রসঙ্গের অবতারণা। আর তা যদি হয় প্রথমবার খেলতে নেমেই শিরোপা জিতে নেওয়া, তাহলে আনন্দের পারদ চড়তে পারে কোন পর্যায়ে? আতালান্তা মিডফিল্ডার মার্তেন ডি রুনের ওয়াদার কথা জানলে কিছুটা ধারণা মিলতে পারে।

চলতি বছরের শুরুর দিকেই ওয়াদা করেছিলেন এই ডাচ মিডফিল্ডার। আতালান্তা এবার চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিষেকেই শিরোপা জিততে পারলে বার্গামো শহরে ক্লাবটির ভক্তদের পিৎজা বানিয়ে খাওয়াবেন তিনি। ডি রুন কি তখন ভাবতে পেরেছিলেন তাঁর দল ইউরোপসেরা হওয়ার দৌড়ে পৌঁছে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে? আজ রাতে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পিএসজির মুখোমুখি হবে ইতালির বার্গামো শহরের ক্লাবটি। আর মাত্র তিন ধাপ পেরোতে পারলেই চ্যাম্পিয়ন! কাজটা মোটেই সহজ নয়। কিন্তু আতালান্তা অভিষেকেই কোয়ার্টারে ওঠায় আশা করতে দোষ কী! আর সে কারণেই উঠে এসেছে পিৎজা বানিয়ে খাওয়ানোর প্রসঙ্গ।

ডি রুন বলেছিলেন, ১০০০ এর বেশি পিৎজা বানাবেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর। পিএসজির মুখোমুখি হওয়ার আগে তাঁকে এ ওয়াদার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। নিজের কথায় এখনো অটল আছেন ২৯ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার, ‘আগের কথামতোই আমরা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলে ১০০০ এর বেশি মানুষকে পিৎজা বানিয়ে খাওয়াব। তবে হারলে পরের বছর লক্ষ্য একই থাকবে। হার মেনে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। কী ঘটে তা দেখতে চেষ্টাটা আগামী বছরও থাকবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল এবার দুই লেগের হচ্ছে না। এক ম্যাচেই ফয়সালা হবে সেমির টিকিটের। ডি রুন মনে করেন, পিএসজির মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে দুই লেগের চেয়ে এক ম্যাচ খেলা তুলনামূলক সহজ, ‘তাদের মতো দলের বিপক্ষে দুই লেগ খেলার চেয়ে এক ম্যাচ খেলা সহজ। বিষয়টি কঠিন হলেও আমরা কিন্তু অঘটন ঘটাতেই পারি। মাঠে নিজেদের সেরাটাই নিংড়ে দেব। যদিও এতটা পথ আসব শুরুতে তা ভাবিনি।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন