বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষাসফরের পতাকা উড়িয়ে কিরগিজস্তানে পা রেখেছেন জেমি। তাঁর ভাষায় টুর্নামেন্টটি মূলত আগামী ১-১৬ অক্টোবর মালদ্বীপে অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির জন্য। সাফে দলকে যে কৌশলে খেলাতে চান, সেটির পরীক্ষায় চলবে কিরগিজস্তানে। এর আগে জুনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সর্বশেষ তিন ম্যাচের জন্যও দলকে এ কৌশলে অনুশীলন করিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দোহায় গিয়ে পুরোনো কৌশলেই খেলেছে বাংলাদেশ।

default-image

জেমির অধীনে এত দিন সাধারণত বাংলাদেশ খেলেছে ৪-২-৩-১ বা ৪-১-৪-১ ফরমেশনে। রক্ষণভাগকে বাড়তি সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এবার প্রথমবারের মতো ৩ সেন্টারব্যাকের পথে হাঁটছেন বাংলাদেশ কোচ। এতে সেন্টারব্যাক হিসেবে দেখা যাবে প্রথাগত রাইটব্যাক তারিক রায়হান কাজীকে। তাঁর সঙ্গে তপু বর্মণ ও পাঁচ বছর পর জাতীয় দলে ফেরা রেজাউল করিম। রাইট উইংব্যাক বিশ্বনাথ ও লেফট উইংব্যাক ইয়াসিন আরাফাত। মাঝমাঠে সোহেল রানা ও জামাল ভূঁইয়া। তিন ফরোয়ার্ড রাকিব, সাদ ও মতিন মিয়া। তাঁদের মধ্যে নম্বর নাইন থাকবেন মতিন।

সাফ সামনে রেখেই দলে নেওয়া হয়েছে দুই প্রবাসী রাহবার ওয়াহেদ খান ও তাহমিদ ইসলামকে। এ ছাড়া নবাগত উত্তর বারিধারার গোলকিপার মিতুল মারমা ও মোহামেডানের ডিফেন্ডার আতিকুজ্জামান আছেন দলে। নতুন সবাইকে সফরের তিন ম্যাচের অন্তত একটিতে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন কোচ। তবে আজ প্রথম একাদশে নবাগত কেউ থাকছেন না নিশ্চিত। বদলি হিসেবে কানাডাপ্রবাসী মিডফিল্ডার রাহবারের অভিষেকের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সে সম্ভাবনাও বেশ কম।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন