পুরুষ ফুটবল দলের ২৫ জন, নারী ফুটবল দলের ২৩ জন এবং ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট দলের ১৮ জনের প্রত্যেককে প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন ৫ লাখ করে টাকা। তবে পুরুষ ফুটবল দলের কোচ-কর্মকর্তা ৮ জন, নারী ফুটবল দলের কোচ–কর্মকর্তা ১০ জন এবং ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট দলের ৪ জন কর্মকর্তা পেয়েছেন ২ লাখ করে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সবার হাতে হাতে টাকার খাম তুলে দেওয়া হয়। শুধু পুরুষ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্দা, ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ফয়সাল খানের হাতে প্রধানমন্ত্রী নিজে টাকার চেক তুলে দেন।

default-image

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এর আগেও এভাবে পুরস্কৃত হয়েছেন নারী ফুটবলাররা। আবারও সংবর্ধনা পেয়ে খুশি ফুটবলারদের সবাই। যদিও এসএসসি পরীক্ষার্থী চার নারী ফুটবলার উন্নতি খাতুন, শাহেদা আক্তার, কুহাতি কিসকু ও আফঈদা খন্দকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যেতে পারেননি।

এর আগেও অনেকবার প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিয়েছেন নারী ফুটবলাররা। এবারও এমন সংবর্ধনায় আপ্লুত সবাই। তাঁদের হয়ে জাতীয় দলের কোচ গোলাম রব্বানী বললেন, ‘প্রধামন্ত্রী বলেছেন, “ভবিষ্যতে তোমাদের আরও ভালো খেলতে হবে। যখন খেলতে নামবে, তখন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মানসিকতা নিয়েই নামবে।

আমি সব সময় তোমাদের পাশে আছি। তোমাদের যখন যা লাগে আমি দেব।” এটা মেয়েদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এর আগেও মেয়েরা তিন-চারবার এমন পুরস্কার পেয়েছে। ভবিষ্যতে খেলার মাঠে এটার প্রতিদান আরও দেবে মারিয়ারা।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মারিয়া এবং বাংলাদেশ শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ফয়সাল খান বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, মহিলা কমিটির চেয়ারপারসন মাহফুজা আক্তার কিরণসহ অনেকে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন