বিজ্ঞাপন

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যে দলটা ১-১ গোলে ড্র করেছিল, সে দলটা থেকে পাঁচজনকে বদলে জার্মানির বিপক্ষে নামিয়ে দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস এনরিকে। মূল একাদশে ফিরেছেন ভ্যালেন্সিয়ার লেফটব্যাক হোসে গায়া, সিটির মিডফিল্ডার রদ্রি, আতলেতিকোর মিডফিল্ডার কোকে ও রিয়াল বেতিসের আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার সের্হিও কানালেসের প্রত্যেকে। তবে ম্যাচ চলাকালেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন কানালেস, তাঁর জায়গায় নামেন নাপোলির ফাবিয়ান রুইজ। রুইজের দুর্দান্ত এক কর্নার থেকে হেড করে দলকে এগিয়ে দেন জুভেন্টাসের স্ট্রাইকার আলভারো মোরাতা। তবে এরও আগে এগিয়ে যেতে পারত স্পেন। ৭ মিনিটে সের্হিও রামোসের এক দুর্দান্ত ফ্রি কিক আটকে দেন জার্মানির গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার। ম্যাচের ২২ মিনিটে মোরাতার পাস থেকে গোল করেন তোরেস, তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। ৩৩ মিনিটে লাইপজিগ মিডফিল্ডার দানি অলমোর হেড বারে লাগলে বল চলে যায় তোরেসের কাছে। সেখান থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত ভলিতে দলের দ্বিতীয় আর নিজের প্রথম গোল করেন তোরেস। ৩৮ মিনিটে রুইজের আরেকটা কর্নার থেকে গোল করেন রদ্রি। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে স্পেন।

default-image

প্রথমার্ধের পর চোট নিয়ে রামোস মাঠ ছাড়লেও স্পেনের খেলা দেখে মনে হয়নি যে চোটসমস্যা এতটা ভোগাচ্ছে তাঁদের। ৫৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে রুইজের পাসে নিজের দ্বিতীয় আর দলের চতুর্থ গোলটা করেন তোরেস। ৬২ মিনিটেই হ্যাটট্রিক করার সুযোগ পেয়েছিলেন এই তরুণ, তবে ডান পা দিয়ে নেওয়া শট একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে হ্যাটট্রিকের জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি তাঁকে। রুইজের পাস থেকে আবারও গোল করেন তোরেস, ৭১ মিনিটে। ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে বাঁ প্রান্ত থেকে হোসে গায়ার পাস নিয়ে জার্মানির কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেন মিকেল ওয়ারসাবাল। ৬-০ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশরা। আর নিশ্চিত করে নেশনস লিগে নিজেদের সেমিফাইনাল খেলার বিষয়টা। ছয় ম্যাচে তিন জয় ও দুই ড্রয়ে ১১ পয়েন্ট নিয়ে সেমিতে পা রেখেছে স্পেন। আর যেখানে শুধু ড্র করলেই চলত জার্মানদের, সেখানে এই হারে একদম সেমির দৌড় থেকেই ছিটকে গেল তারা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন