ফুটবলের দীর্ঘদিনের একটা বড় দাবি পূরণ হচ্ছে। সব জেলাতেই এখন থেকে ফুটবলের জন্য বছরের চার মাস মাঠ বরাদ্দ থাকতে পারে।
বর্তমানে জেলায় মাঠ ফাঁকা পেলে তবেই ফুটবল গড়ায়। মাঠগুলো জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) অধীনে। কিন্তু জেলার ফুটবল পরিচালনা করে জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ)। ডিএসএ নিজেদের সুবিধা অনুযায়ীই মাঠ দেয় ফুটবলকে, তাই অনেক সময় খেলার উদ্যোগ নিয়েও ফুটবল হয়ে থাকে বাক্সবন্দী।
এটি ছাড়াও ডিএফএর কার্যক্রমে সহায়তা চেয়ে সরকারের কাছে অনেক দিন ধরে দেনদরবার করে আসছে বাফুফে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ÿযুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথকে আহ্বায়ক এবং সরকার, বাফুফে ও জেলার প্রতিনিধি নিয়ে ১২ সদস্যের একটি কমিটি করে সরকার। ওই কমিটি কাল শেষ সভায় বসে ডিএফএ নিয়ে সরকারের কাছে তিনটি সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সভা শেষে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানালেন বিস্তারিত, ‘আমরা বছরের প্রথম চার মাস মাঠ চেয়েছিলাম, কিন্তু তাতে বিরোধিতা এসেছে। শেষ পর্যন্ত বছরের শেষ চার মাস ফুটবলকে মাঠ দিতে মতৈক্য হয়েছে। এ ছাড়া ডিএফএর জন্য বছরে পাঁচ লাখ টাকা এবং এটির সরকারি নিবন্ধন করারও সুপারিশ করবে এই কমিটি।’
সরকারি নিবন্ধন একটা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে, সরকার টাকা দিলে ডিএফএর কমিটিতে সরকারি কেউ ঢুকবে না, সেই নিশ্চয়তা কি আছে? সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার শঙ্কা তাই থেকেই যাচ্ছে। অথচ সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতেই ডিএফএর ধারণাটা এনেছে ফিফা। কোনোভাবে ডিএফএকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা যেন না হয়, সরকারের কাছে এই আবেদনও নাকি করেছে বাফুফে।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন