বিজ্ঞাপন

শেখ জামাল মাঝমাঠের ‘প্রাণভোমরা’ ছিলেন জন ওতাবেক। বল যেখানে ঠিক সেখানেই ওতাবেকের দেখা মিলেছে! আজও ওতাবেকের গোলে প্রথমে এগিয়ে যেতে পারত শেখ জামাল। কিন্তু দুর্ভাগ্য শেখ জামালের, ৩৭ মিনিটে বক্সে বল নিয়ে ঢোকা ওতাবেকের শট ক্রসবারে লেগে ফেরে।

default-image

শেখ রাসেল আক্রমণভাগের বড় অস্ত্র আবদুল্লাহ চোটের কারণে আজ খেলতে পারেননি। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড লোপেজ রদ্রিগেজ আজ ছিলেন অনেকটা নিষ্প্রভ। তাঁকে আসলে বোতলবন্দী করে রেখেছিলেন শেখ জামালের ডিফেন্ডাররা। মিডফিল্ডার ওবে মনেকে আর বখতিয়ার দুশোবেকভও সেভাবে গোলপোস্টে শট নিতে পারেননি। দুর্বল রক্ষণের জন্য গোল হজম করতে হয় শেখ রাসেলকে। শেখ রাসেলের ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিংয়েও ছিল ব্যর্থতা।

শেখ জামালের হয়ে ওতাবেকের সঙ্গে জোবের রসায়নটা জমেছে বেশ। কখনো ওতাবেক বল নিয়ে বক্সে ঢুকেছেন, বল বাড়িয়ে দিয়েছেন জোবেকে। ৫৯ মিনিটে জোবের ক্রস থেকে প্লেসিংয়ে প্রথম গোল করেন সোলেমান সিল্লাহ।

এরপর ৬৬ মিনিটে ওমর জোবের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে শেখ জামাল। বল নিয়ে প্রথমে ওতাবেক বাড়িয়ে দেন জোবেকে। বলটা ধরতে জায়গা ছেড়ে অনেকখানি বেরিয়ে আসেন শেখ রাসেল গোলরক্ষক আশরাফুল রানা। কিন্তু তাঁকে ফাঁকি দিয়ে জোবের করা গোলটি ছিল চেয়ে দেখার মতো।

ম্যাচে শেষ দিকে গোল শোধের চেয়ে বরং রক্ষণ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে শেখ রাসেলের ফুটবলারদের। শেষ তিন মিনিটে বেশ কয়েকটি কর্নার পেয়েছে শেখ জামাল। অবশ্য ৮৮ মিনিটে ব্যবধান আরেক দফা বাড়িয়ে নিতে পারত শেখ জামাল। ওতাবেক চমৎকার একটা ক্রস দিয়েছিলেন জোবের উদ্দেশে। কিন্তু জোবে শেষ মুহূর্তে পা ছোঁয়াতে পারেননি।

default-image

এই জয়ে আবাহনীকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে এল শেখ জামাল। ১৭ ম্যাচে ১১ জয় ৫ ড্র ও ১ হারে ৩৮ পয়েন্ট শেখ জামালের। আর ২৭ পয়েন্ট নিয়ে সাতেই রইল শেখ রাসেল। ১৮ ম্যাচে ৮ জয়, ৩ ড্র ও ৭ হার শেখ রাসেলের। ১৮ ম্যাচে ১৬ জয়, ১ ড্র ও ১ হারে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে বসুন্ধরা কিংস।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন