বিজ্ঞাপন

এর আগে উনাই এমেরি সেভিয়ার হয়ে টানা তিনবার ইউরোপা জিতেছেন ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত। আর্সেনালকে রানার্স আপ বানিয়েছেন ২০১৮-১৯ মৌসুমে। তারপর এবার আবার ভিয়ারিয়ালকে এনে দিলেন শিরোপা। তাঁকে এখন ‘ইউরোপা লিগ বিশেষজ্ঞ’ বলাই যায়।

default-image

পোল্যান্ডের গদানস্কে ফাইনালের ২৯ মিনিটে গোল করে ভিয়ারিয়ালকে এগিয়ে দেন জেরার্ড মোরেনো। ২৯ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এ মৌসুমে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ৩০ গোল করলেন ভিয়ারিয়ালের জার্সিতে। ২০১০-১১ মৌসুমে জিউসেপ্পে রসির পর এই প্রথম ভিয়ারিয়ালের কোনো খেলোয়াড় মৌসুমে ৩০ গোল করলেন। ওই মৌসুমে রসি করেছিলেন ৩২ গোল।

এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া ভিয়ারিয়াল দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ধার হারায়। এই সুযোগে ৫৫ মিনিটে গোল শোধ করেন এদিনসন কাভানি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কর্নার পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেনি ভিয়ারিয়াল। মার্কাস রাশফোর্ডের পায়ে বল চলে যায়। তাঁর শট বক্সের জটলার মধ্যে দিক পরিবর্তন করে চলে আসে কাভানির পায়ে। ইউনাইটেডের জার্সিতে সর্বশেষ ১১ ম্যাচে এ নিয়ে ১০ নম্বর গোল করলেন কাভানি।

default-image

নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়। কিন্তু সেখানেও দুই দল গোল করার চেয়ে গোল না খাওয়ার দিকেই বেশি মনযোগ ছিল। ফলাফল, ওই সমতা নিয়েই ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। ২০১৩-১৪ মৌসুমের পর এই প্রথম ইউরোপা লিগের ফাইনাল টাইব্রেকারে গড়াল। ওই মৌসুমেও উনাই এমেরির তখনকার দল সেভিয়া টাইব্রেকারে বেনফিকাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল।

নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় কিছুটা ম্যাড়ম্যাড়ে হয়েছে দেখেই বোধহয় টাইব্রেকারটা স্নায়ুর পরীক্ষা নিল এমনকি ফুটবলপ্রেমীদেরও। ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে, সমানে সমান’ অবস্থা সেখানেও। একে একে দুই দলেরই ১০ জন করে খেলোয়াড় স্পট কিক নিলেন এবং গোল করলেন।

default-image

শট নেওয়ার বাকি তখন শুধু দুই দলের দুই গোলকিপার। ১১ নম্বর শটে ভিয়ারিয়াল গোলকিপার গেরোনিমো রুল্লি গোল করলেও ব্যর্থ হলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড গোলরক্ষক দাভিদ দে হেয়া।

ভিয়ারিয়েল খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস তখন দেখে কে!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন