default-image

গতকাল জাতীয় দলের হয়ে বহুদিন পর নেইমার স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেছেন, সেটা দেখেই কি না, আজীবন উইঙ্গার আর আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা মেসিকে আজ মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলালেন স্কালোনি। পেছনে তিন আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার আর উইঙ্গারের ভূমিকায় ছিলেন ইন্টার মিলানের হোয়াকিন কোরেয়া, ব্রাইটনের অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও ফিওরেন্তিনার নিকোলাস গঞ্জালেস। আনহেল দি মারিয়া, হুলিয়ান আলভারেজ কিংবা লুকাস ওকাম্পোসের মতো তারকারা ছিলেন বেঞ্চে।

শুরু থেকেই দাপট দেখিয়ে খেলা শুরু করে আর্জেন্টিনা। মেসি যথারীতি ছিলেন সপ্রতিভ। হোয়াকিন কোরেয়া মিস না করলে প্রথমার্ধেই ইন্টার মিলানের এই ফরোয়ার্ডকে দিয়ে অন্তত দুটি গোল করাতে পারতেন মেসি। মেসি নিজেও গোলের খাতায় নাম লেখাতে পারতেন, তাঁর শট ভেনেজুয়েলার ডিফেন্ডার নাহুয়েল ফারেরাসির হাতে লাগলেও আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টি দেননি রেফারি।

default-image

৩৫ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন নিকোলাস গঞ্জালেস। যদিও তাঁর গোলে মেসির সরাসরি ভূমিকা ছিল না। মাঝমাঠে খেলা রদ্রিগো দি পলের সহায়তায় দলকে এগিয়ে দেন ফিওরেন্তিনার এই উইঙ্গার। ৩৯ মিনিটে ভেনেজুয়েলার স্ট্রাইকার জোসেফ মার্তিনেজ গোল করার সুযোগ পেলেও ব্যর্থ হন।

হোয়াকিন কোরেয়ার গোলের সুযোগ নষ্ট করা দেখেই কি না, ৬৪ মিনিটে তাঁর জায়গায় আরেক কোরেয়াকে মাঠে নামান স্কালোনি - আতলেতিকোর আনহেল। ৭০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের জায়গায় নামান হয় আরেক আনহেল - দি মারিয়াকে। দি মারিয়া নামার পর আরও ক্ষুরধার খেলা শুরু করে আর্জেন্টিনা।

নেমেই নয় মিনিটের মাথায় রদ্রিগো দি পলের সহায়তায় গোলের খাতায় নাম লেখান পিএসজির এই উইঙ্গার। দি পলের কাছ থেকে বল নিয়ে ডান প্রান্তের বেশ অনেকটুকু দৌড়ে দুই ডিফেন্ডার আর এক গোলকিপারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত চিপে যেভাবে গোল করলেন, আর্জেন্টাইন ভক্তদের মনে থাকবে অনেক দিন।

তিন মিনিট পরেই বন্ধু মেসিকে দিয়ে ম্যাচের তৃতীয় গোলটা করান দি মারিয়া। মাঝমাঠ থেকে বল জোগাড় করে মেসিই পাস পাঠান ডানদিকে থাকা দি মারিয়ার দিকে। দি মারিয়া বিপজ্জনকভাবে ডিবক্সে ঢুকে গিয়ে ক্রস পাঠান ততক্ষণে গোলকিপারের সামনে চলে যাওয়া মেসিকে। অসাধারণভাবে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডান পায়ের শটে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলেন মেসি।

আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায়, আর্জেন্টিনার অপরাজেয়-যাত্রা এখনই শেষ হচ্ছে না।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন