বিজ্ঞাপন
default-image

তাঁর পরিবারের জন্য ভীতিকর সে অভিজ্ঞতার ব্যাপারে ম্যাগুয়ার সানকে বলেছেন, ‘আমার বাবা গোলমালের মাঝখানে পড়ে গিয়েছিলেন। আমি তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে খুব একটা কথা বলিনি, তবে আমি খুশি যে আমার বাচ্চারা সেদিন ম্যাচ দেখতে যায়নি। এটা খুবই ভয়ের ব্যাপার ছিল। বাবা অনেক ভয় পেয়েছেন। আমি চাই না, কেউ কোনো ফুটবল ম্যাচে এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাক।’

ম্যাগুয়ার জানিয়েছেন, সাধারণত তাঁর বাচ্চারা খেলা দেখতে যায় এবং তখন তাঁর বাবা সব সময় কোনো একজনকে কাঁধে চড়িয়ে খেলা দেখেন। রোববারে তেমন কিছু হয়নি বলে ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিঢেছেন ম্যাগুয়ার, ‘আমি বেশ কিছু ভিডিও দেখেছি এবং আমার বাবা ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার বাবা ও আমার এজেন্টের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয়েছিল। পাঁজরে ব্যথা পাওয়ায় নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল বাবার। কিন্তু এ নিয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য করেননি। উনি চুপচাপ মেনে নিয়েছেন।’

default-image

এ ঘটনার পর থেকে মাঠের দর্শক নিয়ে আরও সতর্ক হবেন বলেই জানিয়েছেন ম্যাগুয়ার, ‘আশা করি আমরা এ থেকে শিক্ষা নেব এবং এমন যেন আর কখনো না হয়, সেটা নিশ্চিত করব। বাবা বরাবরই আমাকে উৎসাহ দিতে যান এবং মাঠে হয়তো আবারও যাবেন। তবে এখন থেকে আশপাশে কী হচ্ছে, সে ব্যাপারে আরও সতর্ক হবেন। আমরা সবাই এ ব্যাপারে আরও সতর্ক হব এবং এ থেকে শিক্ষা নেব। আরও বাজে কিছু হতে পারত, কিন্তু আমাদের নিশ্চিত করতে হবে এমনটা যেন না হয়।’

default-image

রোববার টিকিটবিহীন দর্শক নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়েছিল। অনেক টিকিটধারীর আসন কেড়ে নিয়েছিলেন তাঁরা। শিশুদের অনেকেই আতঙ্ক নিয়ে খেলা দেখেছে সেদিন। দর্শকদের এমন আচরণ নিয়ে উয়েফা এরই মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় ইংল্যান্ড। কিন্তু রোববার দেশটির ফুটবল দর্শকের আচরণ দেখার পর ইংল্যান্ডের আবেদন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছে।

ম্যাগুয়ার অবশ্য আশাবাদী, এ ঘটনা বিশ্বকাপ আয়োজনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না, ‘ওয়েম্বলি দারুণ এক জায়গা। এটা আমাদের জন্য দুর্দান্ত একটা ঘর। ফাইনালে কয়েকজন বাদে সমর্থকেরা যেভাবে আচরণ করেছেন, সেটাও অবিশ্বাস্য। আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং আমরা সেটা নেব এবং বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য দারুণ একটা ভেন্যু হবে এটা।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন