বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
সাফে টানা তিন ম্যাচে গোল আছে তপুর। বাংলাদেশের অন্য কোনো ফুটবলারের যে কীর্তি নেই।

২০১৫ কেরালাতেই প্রথমবারের মতো সাফে খেলেছেন তপু। সে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের জয়ে ম্যাচে প্রথম গোলটি করেছিলেন তিনি। মামুনুলের কর্নারে উড়ে আসা বলে হেড করেছিলেন ইয়াসিন খান। বাতাসে থাকা অবস্থায় তপুর মাথা হয়ে জালে। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ায় সেবার বাংলাদেশের টুর্নামেন্ট সেখানেই শেষ।

২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত পরবর্তী সাফের প্রথম দুই ম্যাচে তপুর গোল। ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পেনাল্টি থেকে এবং পরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেড করে। সেদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁর একমাত্র গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রোইনে দূরের পোস্ট থেকে মাথা ছুঁয়ে গোলটি করেছিলেন তিনি। সাফে টানা তিন ম্যাচে গোল আছে তপুর। বাংলাদেশের অন্য কোনো ফুটবলারের যে কীর্তি নেই।

default-image

২০১৫ ও ২০১৮ সাফের পর কাল আরও একটি সাফে গোল করলেন তপু। এর আগে ২০০৫, ২০০৮, ২০০৯—টানা তিন সাফে গোল করেছিলেন জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার জাহিদ হাসান এমিলি।

তবে একজন ডিফেন্ডার হিসেবে এভাবে গোল করে যাওয়ার জন্য বাড়তি প্রশংসা বরাদ্দ রাখতে হবে তপুর জন্য। মোট ৩৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৫টি গোল করেছেন এই ডিফেন্ডার। এমন আহামরি কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশের ডিফেন্ডার হিসেবে কারও ৫ গোল, হেলায় উড়িয়ে দেওয়ার মতোও নয়।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন