বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্লাব বদলের পর মেসি আর রোনালদো কেমন করছেন, এ নিয়ে একেকজনের একেক রকম মত থাকতে পারে। মেসিকে নিয়ে সমালোচনা নতুন ক্লাব পিএসজিতে গোল না পাওয়া বিষয়ে। রোনালদো নতুন ক্লাবে গোলে নিয়মিত হলেও বড় দলের বিপক্ষে ভালো করতে পারছেন না। পাশাপাশি তাঁর কারণে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলা নষ্ট হচ্ছে বলেও সমালোচনা করেন অনেকে।

default-image

গত আগস্টে বার্সেলোনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে মেসি গেছেন পিএসজিতে। একে তো এত বছর পর ‘ঘর’ বদলেছেন, তারওপর সেটি বদলেছেন কিনা ৩৪ বছর বয়সে এসে! ধাক্কাটা এখনো ভালোভাবে সামলে নিতে পারেননি মেসি। পিএসজির জার্সিতে এখনো সেভাবে আর্জেন্টিনা বা বার্সেলোনার জার্সির মেসিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি; বিশেষ করে ফরাসি লিগে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি ঠিকই আলো ছড়িয়েছেন। গ্রুপ পর্বে ৫ ম্যাচে ৫ গোল করে ইউরোপের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বসূচক টুর্নামেন্টটিতে পিএসজির সর্বোচ্চ গোলদাতাই তিনি। কিন্তু লিগে এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে মাত্র ১ গোল আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের! অবিশ্বাস্য বটে! পরিসংখ্যান বলছে, গোলের হিসাবে কোনো মৌসুমে এর চেয়ে বাজে শুরু ক্যারিয়ারে আর কখনো হয়নি মেসির। সতীর্থদের দিয়ে ৪টি গোল অবশ্য করিয়েছেন তিনি!

default-image

অন্যদিকে রোনালদো? জুভেন্টাসে তিন মৌসুমে প্রত্যাশিত সাফল্যের ধারেকাছেও যেতে পারেননি। নিজে গোল করেছেন, কিন্তু দলকে শিরোপা এনে দিতে পারেননি। জুভেন্টাস-অধ্যায় শেষে গত আগস্টে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফেরার পর লিগে ১৩ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন রোনালদো, করিয়েছেন আরেকটি। পাশাপাশি চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫ ম্যাচে করেছেন ৬ গোল। ৩৬ বছর বয়সী এক ফুটবলারের জন্য অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যানই!

কিন্তু রোনালদোকে ঘিরে সমালোচনা, তাঁর ফুটবল এখন শুধু পরিসংখ্যানভিত্তিকই হয়ে গেছে! গোল করছেন, কিন্তু দলের খেলায় অবদান রাখতে পারেন না বলে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের সমালোচনা হয়। বরং প্রতিপক্ষের পায়ে বল থাকার সময় তিনি বল কেড়ে নিতে তেমন চেষ্টা না করায় ম্যান ইউনাইটেডের খেলায় সেটির নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলেই সমালোচনা করেন অনেকে।

তা এ তো গেল নতুন ক্লাবে তাঁদের অবস্থা, কিন্তু সাবেক ক্লাবে যে মেসি আর রোনালদোর ছাপ এখনো অমোচনীয়! সেটি শুধু ক্লাবের ইতিহাসেই নয়, এ বছরের পরিসংখ্যানেও। বার্সেলোনা ছাড়ার আগে কাতালান ক্লাবটির জার্সিতে এ বছর ২৮ গোল করেছেন মেসি।

মজার ব্যাপার, বছরে বার্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার গোল মেসির অর্ধেকের চেয়ে একটি বেশি! দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা সেই আঁতোয়ান গ্রিজমানও আগস্টে বার্সা ছেড়েছেন। বছরে বার্সা সব মিলিয়ে গোল করেছে ১০৮টি।

অন্যদিকে, জুভেন্টাস বছরে সব মিলিয়ে গোল করেছে ১০৬টি, তার মধ্যে ২০ গোল গত আগস্ট মাসের মধ্যেই করে রেখেছিলেন রোনালদো। বছরে জুভেন্টাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা অবশ্য রোনালদোর কাছাকাছিই আছেন—আলভারো মোরাতা (১৭ গোল)।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন