বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি মৌসুমে পুলিশের খেলার অন্যতম একটি দিক হলো ভয়ডরহীন ফুটবল। আক্রমণাত্মক মেজাজে দলকে খেলান পাকির আলী। সাধারণত ফরমেশনটা ৪–৩–৩ হলেও বল দখলে থাকলে দুই আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডারও আক্রমণভাগে যোগ দেন। আইভরি কোস্টের হোল্ডিং মিডফিল্ডার ফ্রেদেরিক পুদা দলটির মেরুদণ্ড। প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নিতে হবে, পুদা আছেন। রক্ষণচেরা থ্রু দিয়ে গোলের সুযোগ তৈরি করতে হবে, সে ভূমিকাতেও দলে তিনি অদ্বিতীয়। পুদার কল্যাণে ম্যাচে বেশ গোলের সুযোগও তৈরি করে তারা।

আজ গোল মিসের খেসারত দিয়েছে পুলিশ। আরও স্পষ্ট করে বললে পুদার স্বদেশি স্ট্রাইকার বাল্লো ফামুসা সহজ গোল মিস না করলে প্রথমার্ধেই স্কোরবোর্ডে পুলিশের নামের পাশে লেখা হয়ে যায় ২ গোল। সুযোগগুলো নষ্ট করে ফামুসা কখনো মাথা চাপড়ালেন, কখনো ঘুষি মারলেন মাটিতে।

প্রশ্ন হতে পারে, কোন সুযোগটি বেশি সহজ ছিল? ২৯ মিনিটে পুদার থ্রুতে ফাঁকা হয়ে যায় রহমতগঞ্জের রক্ষণভাগ। ফামুসার সামনে শুধুই গোলরক্ষক রাসেল মাহমুদ। কিন্তু বলটি পোস্টেই রাখতে পারলেন না তিনি।

default-image

যোগ করা সময়ে ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন ফামুসা। তাঁকে বাধা দেওয়ার মতো কোনো ডিফেন্ডার ছিলেন না। অথচ মুরোলিমজন আখমেদভের ক্রসে গোলমুখে আনমার্কড থেকেও তাঁর নেওয়া শটটি পোস্টের ধারেকাছে দিয়েও গেল না। এবার বসে পড়ে মাটিতে ঘুষি মেরে নিজের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে চাইলেন এই আইভরিয়ান! দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে মাঠ থেকে উঠিয়ে নিতেই বাধ্য হলেন পুলিশের কোচ। ফামুসার শরীরী ভাষায় মনে হলো কোচের সিদ্ধান্ত মনঃপূত হয়নি তাঁর।

প্রথমার্ধে ম্যাচের লাগাম ছিল পুলিশের দখলেই। দ্বিতীয়ার্ধে সেটি চলে যায় রহমতগঞ্জের কাছে। কিন্তু বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও পুলিশের মতো গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি পুরান ঢাকার দল। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে আইভরি কোস্টের ফরোয়ার্ড ক্রিস রেমির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এ ছাড়া আর উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। এর পরে কোনো দলই গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। এই ড্রয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে পুলিশ। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৫ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে রহমতগঞ্জ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন