লিফটে আটকা পড়া খেলোয়াড়দের মধ্যে আনহেল ডি মারিয়াও ছিলেন।
লিফটে আটকা পড়া খেলোয়াড়দের মধ্যে আনহেল ডি মারিয়াও ছিলেন। ছবি: টুইটার

চ্যাম্পিয়নস লিগে পরশু লাইপজিগের মাঠে ২-১ গোলে হেরেছে পিএসজি। কুসংস্কারে বিশ্বাস থাকলে পিএসজির খেলোয়াড়দের এমন অশুভ কিছু আগেই টের পাওয়ার কথা! মাঠে নামার আগের দিন যে লিফটে আটকা পড়েছিলেন আনহেল ডি মারিয়া, লিয়ান্দ্রো পারেদেসরা।

তিন ম্যাচের দুটিতে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগে ফরাসি ক্লাবটির অবস্থা এখন তথৈবচ। খেলোয়াড়দের চোট ও বাজে ফর্ম মিলিয়ে বলা যায়, ফরাসি ক্লাবটি এখন অন্ধকারে হাতড়াচ্ছে। ডি মারিয়াদেরও মাঠে নামার আগে কিন্তু লিফটের মধ্যে অন্ধকারে দিগ্‌বিদিক হাতড়াতে হয়েছে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ম্যাচের আগের দিন পিএসজির মূল দলের মোট ১০ খেলোয়াড় হোটেলের লিফটে আটকা পড়েন। প্রায় ৫০ মিনিট আটক ছিলেন খেলোয়াড়েরা।

বিজ্ঞাপন

দমকলকর্মীরা এসে লিফট থেকে উদ্ধার করেছেন পিএসজির খেলোয়াড়দের। নিরাপদেই লিফট থেকে বের করা হয় তাঁদের। পিএসজি ডিফেন্ডার লেভিন কুরজাওয়া নিজের ইনস্টাগ্রামে আটকা পড়ার ভিডিও ছেড়েছিলেন। কিন্তু পরে ক্লাবের নির্দেশে ভিডিওটি মুছে ফেলেন তিনি। আটকা পড়া খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন দি মারিয়া, মার্কিনহোস, ময়েজ কিন, প্রেসনেল কিমপেম্বে ও পারেদেস। পরের দিন মাঠেও ভুগেছে পিএসজি। হারের পাশাপাশি নয়জন খেলোয়াড় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। লাল কার্ড দেখেন ইদ্রিসা গুয়েয়া ও কিমপেম্বে। চোটের কারণে খেলতে পারেননি নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।

default-image

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লা পারিসিয়েন’ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুশীলনের পর হোটেলের লিফটে গোলযোগের কারণে আটকা পড়েন পিএসজির খেলোয়াড়েরা। দমকলকর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করেন এবং খেলোয়াড়দের সবাই সুস্থ ছিলেন। কুরজাওয়া ভিডিও মুছে ফেলার আগেই সমর্থকদের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই ভিডিওর ফুটেজে দেখা যায়, খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে একজন কৌতুক করে বলছেন, লিফটে তাঁদের সঙ্গে নেইমার ও এমবাপ্পেও আটকা পড়েছেন। এ দুই খেলোয়াড় যেহেতু পিএসজির সবচেয়ে বড় তারকা—দমকলকর্মীরা সে জন্য তাঁদের যেন খুব দ্রুত উদ্ধার করেন, এই ভাবনা থেকেই মজা করেন সেই খেলোয়াড়।

সব মিলিয়ে পিএসজির সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না। লাইপজিগের কাছে হারের পর পিএসজি কোচ টমাস টুখেলের চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। টুখেল অবশ্য সম্ভাবনাটা উড়িয়ে দিয়েছেন এভাবে, ‘ফরাসি সংবাদমাধ্যম সব সময়ই এমন প্রশ্ন করে, আমি নাকি বিপদে আছি। এখানে আসার পর থেকেই কথাটা শুনছি। জানি না কেন। তবে প্যারিসে কোচ হিসেবে জীবনটাই এমন। কোনো কিছুই যথেষ্ট নয়।’

মন্তব্য পড়ুন 0