বিজ্ঞাপন
default-image

সোলের যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন কিন্তু স্কোরলাইন ৩-০ দেখাচ্ছিল। একটি প্রতি আক্রমণ থেকে দ্রুত ওপরে উঠে ভিনিসিয়ুস ও ফারলাঁ মেন্ডি মিলে দলকে এনে দিয়েছেন তৃতীয় গোল। কিন্তু সে গোল নিয়ে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি আপত্তি তোলায় বেশ সময় নিয়ে গোলের বৈধতা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এরই ফাঁকে মাঠ ছেড়েছেন সোলের। দুই নতুন খেলোয়াড় নেমে নতুন আশাও পেয়েছেন। গোলের ব্যবধান তিন থেকে দুইয়ে নেমে এসেছে। প্রথমে আক্রমণের ওঠার সময় নিয়ে সন্দেহ থাকলেও পরে দেখা গেছে, গোলের আগে ভিনিসিয়ুস যখন পাস দিচ্ছেন, তখন একটা গোড়ালি অফ সাইডে ছিল মেন্ডির। গোলের জন্য ভিনিসিয়ুসদের চেয়ে আরও পিছিয়ে এলেও মূল সময়টায় অফসাইডে থাকায় বাতিল হয়েছে সে গোল।

গোল বাতিল হওয়ায় রিয়ালের হয়ে টানা দুই ম্যাচে গোল করা হয়নি এই লেফটব্যাকের। তবে বেনজেমা ঠিকই সেটা পেরেছেন। ম্যাচের মাত্র ১২ মিনিটে ক্রুসের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন ডি-বক্সের বাইরে। বাঁ দিক থেকে বক্সের বাইরে থেকে ভ্যালেন্সিয়ার এক ডিফেন্ডারকে দেয়াল বানিয়ে শট নিয়েছেন। এতে ভ্যালেন্সিয়া গোলরক্ষক জওমে ডমেনেখ বলের লাইনে ঠিকভাবে যেতে পারেননি। দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে ঢুকেছে।

এরপরই আবার ধাক্কা খেয়েছে রিয়াল। চোটের কারণে মূল স্কোয়াডের প্রায় অর্ধেক এমনিতেই খেলতে পারছেন না। এর মধ্যে আজই চোট কাটিয়ে ফিরছিলেন রাইটব্যাক দানি কারভাহাল। মাত্র ২৫ মিনিট টিকেছেন। তারপরই আবার মাঠ থেকে উঠে গেছেন কারভাহাল। তাঁর বদলি হিসেবে নেমেছেন চোট থেকে ফেরা আরেক জন লুকাস ভাসকেজ। রাইট উইঙ্গার থেকে রাইটব্যাকে নিয়মিত খেলতে বাধ্য হওয়া ভাসকেজ আজও খেলেছেন দুর্দান্ত।

default-image

কারভাহালের চোটের পরও দারুণ খেলছিল রিয়াল। ম্যাচের ফল নিয়ে রিয়ালকে দুশ্চিন্তামুক্ত করেছেন ক্রুস। ৪২ মিনিটে দুর্দান্ত এক দলীয় আক্রমণ করেছে রিয়াল। মার্কো আসেনসিও, মদরিচ হয়ে বল আসে বক্সে ঢুকে পড়া ভাসকেজের কাছে। শট করতে পারতেন ভাসকেজ। চাইলে বেনজেমার কাছে ক্রসও করতে পারতেন। কিন্তু পেছন থেকে বক্সে ক্রুসের আবির্ভাব হচ্ছে দেখে বলটা তাঁকে দিলেন। আনমার্কড থাকা ক্রুস নিখুঁত নিশানায় গড়ানো শটে বল পাঠিয়েছেন জালে।

২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়া রিয়াল এরপর অনেকবারই ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু অফসাইডে বাতিল হওয়া সে গোল বাদে আর কখনো সফল হয়নি। পুরো ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়া মাত্রই একবারই পরীক্ষা নিয়েছে রিয়াল রক্ষণের। ৫২ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে একটি গোলা পাঠিয়েছিলেন ম্যাক্সি গোমেজ। কিন্তু থিবো কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে সে যাত্রা বাঁচিয়ে দিয়েছেন রিয়ালকে। বাকি সময়ে তাঁকে আর কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি।

এ জয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে আবার লিগে দুইয়ে চলে এসেছে রিয়াল। এক ম্যাচ কম খেলে ৪৬ পয়েন্ট বার্সেলোনার। রিয়ালের চেয়ে দুই ম্যাচ কম খেলে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন