বিজ্ঞাপন
default-image

কিন্তু ম্যাচ শেষে গোল-টোল কিছু নয়, আলোচনার কেন্দ্রে বলে ফার্নান্দেজের পায়ের স্পর্শ লেগেছিল কি না! তা ফার্নান্দেজের পায়ের স্পর্শ বলে লাগা আর না লাগায় কী এসে যায়? অনেক কিছুই এসে যায়। বলটি যদি ফার্নান্দেজের পায়ে লেগে না থাকে, তাহলে অফসাইডের কারণে কাভানির গোলটি বাতিল হওয়ার কথা। পার্কারের ক্ষোভ সেটা নিয়েই।

ম্যাচ শেষে ফার্নান্দেজ তাঁর অ্যাসিস্ট নিয়ে বলেছেন, ‘সত্যি বলছি, আমি বল পায়ে লাগার বিষয়টি টের পাইনি। রেফারি বলেছেন, আমি বলে স্পর্শ দিয়েছি।’ তবে বল পায়ে লাগল কী লাগল না, তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই ফার্নান্দেজের, ‘কী হয়েছে, তা নিয়ে আমি ভাবি না। আমি সব সময়ই বলি, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আমরা গোল পেয়েছি। এটা কোনো বিষয় নয় যে কে গোল পেল আর কে অ্যাসিস্ট করল।’

করোনাকে পাশ কাটিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শেষ দুই সপ্তাহে মাঠে দর্শক আসার অনুমতি মিলেছে। ইউনাইটেডের ম্যাচেও কাল দর্শক ছিল। ফার্নান্দেজ রোমাঞ্চিত বহুদিন পর আবার সমর্থকদের সামনে খেলতে পারায়, ‘সমর্থকদের মাঠে ফেরাটা সত্যি খুব দারুণ ব্যাপার। সবাই জানে, এটা অসাধারণ এক অনুভূতি। ফুটবলের জন্য সমর্থক কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা সবাই জানি।’ অনেক দিন পর সমর্থকদের সামনে পেয়েও ঘরে।মাঠে জিততে না পারার আক্ষেপও ঝরে পড়েছে ফার্নান্দেজের কণ্ঠে।

ফার্নান্দেজের ‘অসাধারণ অ্যাসিস্ট’ আর কাভানির অসাধারণ গোলকে কিছুটা হলেও ম্লান করছে পার্কারের ক্ষোভ। বিশেষ করে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিও যে বিষয়টি ধরতে পারলেন না, সেটা নিয়েই বেশি বিরক্ত ফুলহামের কোচ, ‘আমি বুঝতে পারছি না, এটা কীভাবে অফসাইড হলো না। চতুর্থ রেফারি বলেছেন, ফার্নান্দেজ যদি বলে স্পর্শ না করে থাকে, তাহলে প্রায় পাঁচ গজ অফসাইড কাভানি।’

ভিএআরের বিষয়টি নিয়ে পার্কারের কথা এ রকম, ‘আমি আবার দেখেছি বিষয়টি। এটা ঠিক যে যদি ভিএআর না থাকত, তাহলে বুঝতাম মানবিক ভুলের কারণে গোলটি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আপনি যখন সবকিছু শ্লথ করে দিয়ে বিভিন্ন কোণ থেকে সবকিছু দেখতে পারেন, তাহলে অবশ্যই দেখবেন বলে তার পায়ের স্পর্শ লাগেনি।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন