বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ দলে বেশ কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় এসেছে। নতুন আর অভিজ্ঞতার মিশেলেই হয়তো ফাইনালের একাদশ সাজাবেন কোচ জেমি ডে। যারাই খেলার সুযোগ পাবে, কোনোভাবেই স্নায়ুচাপে ভোগা চলবে না। আমি চাই, সব ফুটবলার দায়িত্ব নিয়ে খেলবে। নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দেবে মাঠে।

default-image

১৯৯৯ সালে যেমনটা আমরা দিয়েছিলাম। সেই সাফ গেমসটা আসলে স্বপ্নের মতো ছিল। দেশের বাইরে থেকে ট্রফি নিয়ে ফিরেছিলাম, যা ছিল আমাদের ফুটবলে একটা বৃত্ত ভাঙার মাহেন্দ্রক্ষণ। ১৯৯৫ সালে মুন্না ভাইয়ের নেতৃত্ব মিয়ানমারে চার জাতি ট্রফি জয়ের চার বছরের মধ্যেই আসে নেপাল থেকে ওই সাফল্য। দেশের বাইরে ট্রফি জিতলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় অনেক।

নেপাল অপরাজেয় নয়। একটু চেষ্টা করলেই ট্রফিটা আমাদের হতে পারে। ঘরের মাঠে খেলা বলে নেপাল চাপে থাকবে। সেই চাপই কাজে লাগাতে হবে। আর গোল করতে হবে। আমরা এই টুর্নামেন্টে ২ ম্যাচে ১ গোল পেয়েছি, সেটিও আত্মঘাতী। তাই গোল করার ওপর জোর দিতে হবে। আর একটা কথা—হারের আগে যেন হেরে না যাই আমরা। শুভকামনা, বাংলাদেশ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন