নিজের সাবেক ক্লাবে দি মারিয়ার যোগদানের সম্ভাবনা জেগেছে দেখেই কি না, দি মারিয়ার গালভরা প্রশংসা করেছেন জুভেন্টাসে দুই দফায় মোট ১৯ মৌসুম খেলা এই গোলকিপার। বুফনের মতে, ইতালিয়ান লিগে দি মারিয়ার প্রভাব ডিয়েগো ম্যারাডোনার চেয়ে কোনো অংশে কম হবে না।

সম্প্রতি ইতালির ক্রীড়াবিষয়ক গণমাধ্যম ‘লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ত’-কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন এই গোলকিপার। সেখানেই দি মারিয়ার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন তিনি, ‘এই ইতালিয়ান লিগে দি মারিয়া হবে ম্যারাডোনার মতো। আমার কি আর ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে? টেকনিক্যালি দক্ষ খেলোয়াড়ের দিক থেকে বর্তমানে ইতালিয়ান সিরি “আ”অনেক পিছিয়ে। আর আনহেলের সেই দক্ষতা আছে অনেক। ও অনেক সহজে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে পারে। গোল করার দিক দিয়ে কিংবা গোলে সহায়তা করার ক্ষেত্রেও ও অসাধারণ। পুরো পিচজুড়ে দৌড়ায় ও, অনেক ভূমিকা পালন করতে পারে। এক কথায় বললে, ও এমন ফুটবলার যে সবকিছু পারে।’

দি মারিয়ার জয়ক্ষুধাই তাঁকে অনন্য করেছে বলে মনে করেন বুফন, ‘উইঙ্গার, আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার—সব জায়গায় খেলতে পারে ও। ও যে দলেই যাক না কেন, সে দলটা অসাধারণ একজন খেলোয়াড় পাবে। আমি আশা করব, দলটা যেন জুভেন্টাস হয়। আমরা একজন চ্যাম্পিয়নের ব্যাপারে কথা বলছি। আর ফুটবলে ওর মতো চ্যাম্পিয়নই দরকার।’

কিন্তু যে বয়সে অধিকাংশ খেলোয়াড় অবসরের চিন্তা করেন, সে বয়সে দি মারিয়াকে দলে টানা জুভেন্টাসের জন্য কতটুকু লাভজনক হবে?

বুফন বয়সের ব্যাপারটাকে পাত্তাই দিচ্ছেন না, ‘দি মারিয়ার বয়স ৩৪ বছর? আমার বয়স ৪৪, আমি কিন্তু এখনও খেলছি। বয়স কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। খেলার জন্য আপনার আগ্রহ, আপনার অধ্যবসায় আছে কি না, সেটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দি মারিয়া যদি জুভেন্টাসে নাম লেখানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তার মানে ওর বয়স যতই হোক না কেন, সে জুভেন্টাসের মতো ক্লাবে খেলার জন্য প্রস্তুত।’

default-image

মাঝে জুভেন্টাস ছেড়ে এক মৌসুমের জন্য পিএসজিতে খেলেছিলেন বুফন। সেখানেই দি মারিয়াকে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছিলেন বুফন। কাছ থেকে দি মারিয়াকে যতই দেখেছেন, ততই মুগ্ধ হয়েছেন, ‘ও অনেক ভালো ছেলে। শুধু ম্যাচের সময়ই নয়, অনুশীলনেও নিজের সবটুকু দেয়। অসাধারণ টেকনিক্যাল দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ওর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতা। আজকের যুগে সিরি “আ”তে ওর প্রভাব অনেকটা ম্যারাডোনার মতো হবে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন