বিজ্ঞাপন
default-image

শুধু কি ইব্রাকে ধরে ফেলার ব্যাপার, পাওলো দিবালা ও আলভারো মোরাতার মতো তরুণ ফরোয়ার্ড দলে থাকতেও জুভেন্টাসের জয়ের নায়ক রোনালদোই। কালিয়ারির জালে রোনালদো ছাড়া যে কাল বল পাঠাতে পারেননি জুভেন্টাসের আর কেউ। রোনালদোর গোল দুটিও ছিল দেখার মতো। ৩৮ মিনিটে প্রথম গোলটি তিনি করেছেন সঙ্গে থাকা তিনজন কালিয়ারি খেলোয়াড়কে ফাঁকি দিয়ে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শটে।

চার মিনিট পরে করা দ্বিতীয় গোলটি ছিল আরও দর্শনীয়। কর্নার কিক থেকে আসা বলটি তাঁকে পার করে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু বলের কী সাধ্য রোনালদোকে ফাঁকি দিয়ে চলে যাবে! ডান পাটা পেছনে নিয়ে এসে চলে যেতে থাকা বল অসাধারণ এক ভলিতে জালে পাঠান রোনালদো। এই দুই গোল চলতি মৌসুমে সিরি ‘আ’তে রোনালদোর গোল হলো আটটি। এসি মিলানের হয়ে সমান আট গোল ইব্রারও। চলতি মৌসুমে সিরি ‘আ’তে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে আছেন চিরসবুজ দুই ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ গোল তুরিনোর ইতালিয়ান স্ট্রাইকার বলোত্তির।

default-image

আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর ক্লাবগুলো এমনিতে একটু এলোমেলো থাকে। টানা ম্যাচ খেলে ক্লান্ত হয়ে আসেন ফুটবলাররা। কিন্তু রোনালদোর খেলায় কাল ছিল না কোনো ক্লান্তির ছাপ। অথচ পর্তুগালের হয়ে টানা তিনটি ম্যাচ খেলে এসেছেন তিনি। এর আগে জুভেন্টাসের হয়ে সিরি ‘আ’র সর্বশেষ ম্যাচে চোট নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। তারও আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তাঁকে থাকতে হয়েছিল মাঠের বাইরে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতির পর এত ভালোভাবে শুরু করতে পারায় জুভেন্টাস কোচ আন্দ্রেয়া পিরলোর কণ্ঠে তৃপ্তির সুর, ‘এমন একটি ম্যাচই আমাদের দরকার ছিল। অসাধারণ খেলেছে সবাই। এমনকি যারা জাতীয় দলের হয়ে খেলে ফিরেছে তারাও। জাতীয় দলের হয়ে খেলা বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই মাত্র দুদিন আগে ফিরেছে। ফেরার পর প্রথম অনুশীলন করেছে গতকালই (গত পরশু)। এর সঙ্গে তো ভ্রমনক্লান্তি ছিলই।’

পিরলো এরপর বিশেষ করে রোনালদোর কথা বললেন। তরুণ ফুটবলারদের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁকে দেখে শিখতে, ‘আমাদের তরুণ ফুটবলারদের তার মতো করে গড়ে তুলতে হবে। এই বয়সেও সে সব সময় অনুশীলনে থাকে। ম্যাচেও সে দলের প্রয়োজনে সবার আগে এগিয়ে আসে। গোলের পর গোল করে যাচ্ছে। আমি তো বলব সে কোনো সাধারণ প্রতিভা নয়। আমরা ভাগ্যবান যে সে জুভেন্টাসে খেলে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন