বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে রাতে মোহামেডান স্পোর্টিং ও সাইফ স্পোর্টিংয়ের ম্যাচের ফলের দিকে চেয়ে থাকবে সেনাবাহিনী।

অঝোরে বৃষ্টি ঝরেছে কমলাপুর স্টেডিয়ামে। কৃত্রিম টার্ফের কোথাও কোথাও পানি জমে ছিল প্রথমার্ধে। যে কারণে বল আটকে যাচ্ছিল বারবার। একে তো প্রচণ্ড ঠান্ডা, এর ওপর বৃষ্টি। সব মিলিয়ে ফুটবলাররা স্বাভাবিক খেলতেই পারছিলেন না প্রথমার্ধে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বৃষ্টি কমলে খেলায় গতি এসেছে দুই দলেরই।

এবারের মৌসুমে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিচ্ছে সেনাবাহিনী। কোনো বিদেশি ছাড়াই খেলা সেনাবাহিনীর ছন্দময় ফুটবল নজর কেড়েছে দর্শকদের। প্রিমিয়ার লিগের বড় দলগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে ফিটনেসও অনেক ভালো সেনাবাহিনীর ফুটবলারদের।

default-image

যদিও বৃষ্টিভেজা মাঠে বরং মুক্তিযোদ্ধাই বেশি আক্রমণে উঠেছে প্রথমার্ধে। ম্যাচের ৮ মিনিটে দিদারুল আলমের ফ্রিকিক থেকে জটলায় করা আহমেদ আয়মানের গোলটা সেই আক্রমণেরই ফসল। তবে সেনাবাহিনীর রঞ্জু শিকদার ও ইমতিয়াজ রায়হান বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েও নষ্ট করেছেন।

৭৪ মিনিটে স্কোরলাইন বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় মুক্তিযোদ্ধা। তাদের জাপানি মিডফিল্ডার সোমা ওতানজকে বক্সে ফেলে দেন সেনাবাহিনীর মাহবুব আলম। এতে পেনাল্টি পায় মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার আরেক ফরোয়ার্ড তেতসুয়াকি মিসাওয়া বল আকাশে তুলে দিলেন!

default-image

এরপর ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় সেনাবাহিনী। বক্সের মধ্যে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সেনাবাহিনীর ইমতিয়াজ রহমানকে ফেলে দেন মুক্তিযোদ্ধার গোলরক্ষক মোহাম্মদ রাজীব। কিন্তু মেহেদি মিঠুর দুর্বল পেনাল্টি শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন রাজীব।
পরের মিনিটেই রঞ্জুর দুর্দান্ত এক বাঁকানো ফ্রি–কিকে সামিউলের হেডে উল্লাসে মেতে ওঠে সেনাবাহিনী। ম্যাচের ৯০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সেনাবাহিনীর মাহবুব। তাতেও অবশ্য ম্যাচের ফলে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

‘সি’ গ্রুপের ৩ ম্যাচের ২টিতেই হার মুক্তিযোদ্ধার। এরপর আজ শেষ ম্যাচে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ড্র করায় মাত্র ১ পয়েন্ট তাদের। মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল শুরুতেই। ৩ ম্যাচের ১টিতে জয়, ১টিতে ড্র সেনাবাহিনীর। ১ ম্যাচ হেরেছে সার্ভিসেস এই সংস্থা। ৪ পয়েন্ট নিয়ে চোখ রেখেছে কোয়ার্টার ফাইনালে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন