বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ম্যাচের ২৭ মিনিটের মধ্যেই নিজের দুই গোল করে ফেলেন লেভানডফস্কি। ১২ মিনিটে প্রথম গোলটা আসে পেনাল্টিতে। কিয়েভের অধিনায়ক সের্হেই সিদোরচুক লিওন গোরেৎস্কাকে আটকাতে গিয়ে ডিবক্সের মধ্যে বলে হাত লাগিয়ে বসেন। পেনাল্টি থেকে গোল করতে বিন্দুমাত্র সমস্যা হয়নি লেভানডফস্কির।

এর ১৫ মিনিট পরেই টমাস মুলারের সহায়তায় চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ৬০তম গোল করে ফেলেন লেভানডফস্কি। যে গতিতে এগোচ্ছিলেন, হ্যাটট্রিকটাও এসেই যেত। সেটা হয়নি, সহজ এক হেড থেকে তৃতীয় গোল করার সুযোগ নষ্ট করেন এই পোলিশ স্ট্রাইকার।

৬৮ মিনিটে লিরয় সানের সহায়তায় এক জোরালো শটে ব্যবধান ৩-০ করে ফেলেন নাব্রি। ৭৪ মিনিটে সানে নিজেই গোলদাতার তালিকায় নাম লেখান। বাঁ প্রান্ত থেকে বক্সে ক্রস করতে গিয়ে উল্টো দুর্দান্তভাবে বল জালে জড়ান এই জার্মান উইঙ্গার। লেভানডফস্কির বিকল্প হিসেবে মাঠে নামা ক্যামেরুনিয়ান স্ট্রাইকার চুপো-মোতিং দুর্দান্ত এক হেডে ৮৭ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করে ফেলেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের পর এই প্রথম ঘরের মঠে দর্শকদের সামনে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলতে পারল বায়ার্ন। নাগলসমানের হয়ে নয় ম্যাচে এর মধ্যেই ১৩ গোল করে ফেললেন লেভানডফস্কি। কে থামাবে এই স্ট্রাইকারকে!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন