বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনা যেন গোলই করতে পারছে না। আগের চার ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র দুই গোল করেছে তাঁরা। নতুন কোচের অধীনে সে ভাগ্য বদলাবে এমন কেউ আশা করে থাকলে জাভি তাঁদের হতাশই করেছেন।

তবে এই এক পয়েন্ট পেয়েও যে বার্সার খুব বেশি লাভ হয়েছে আপাতত বলা যাচ্ছে না। পরের রাউন্ডে উঠতে হলে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে অবশ্যই জিততে হবে বার্সেলোনাকে। আর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে তাঁদের প্রতিপক্ষ? দুর্দান্ত ফর্মে খেলা, গ্রুপের শীর্ষে উঠে যাওয়া বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচটা আবার বায়ার্নের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতেই হবে। এই ভঙ্গুর বার্সেলোনা বায়ার্নের মাঠে গিয়ে তাঁদের হারিয়ে আসবে, এমন আশা করার জন্য তেমন আশাবাদী বার্সেলোনা সমর্থকও হয়তো পাওয়া যাবে না।

লিগে নিজের প্রথম ম্যাচে বার্সেলোনাকে ৪-৩-৩ ছকে খেলানো জাভি নিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই ছক বদলেছেন। আজ অনেকটা ৩-৪-২-১ ছকে খেলেছে বার্সেলোনা। তিন সেন্টারব্যাক পিকে-আরাউহো ও লংলেকে পেছনে রেখে দুই উইংব্যাক হিসেবে ছিলেন আলবা ও ইউসুফ দেমির। ওপরে মেম্ফিসের সঙ্গী ছিলেন গাভি ও নিকোলাস গঞ্জালেস।

গোলের সুযোগ পেয়েছে দুই দলই। গোলশূন্য ম্যাচের কথা বিবেচনা করলে নিরপেক্ষ দর্শকদের বেশ আনন্দই দিয়েছে ম্যাচটা। দুই দলের ডিফেন্ডারের করা দুই গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে, বেনফিকার ওতামেন্দির এক গোল, ওদিকে আরাউহোর এক গোল। দেমিরের এক শট পোস্টে লেগে ফিরে এসেছে। এদিকে ইউক্রেনের স্ট্রাইকার রোমান ইয়ারেমচুক গোলের সুযোগ পেলে ওদিকে পেয়েছেন উসমান দেম্বেলে। শেষমেশ যদিও গোলের দেখা কেউই পাননি। শেষদিকে সেফেরোভিচের ওই মিস শুধু আফসোসই বাড়িয়েছে।

বার্সেলোনা-বেনফিকা ম্যাচে গোলের অভাব থাকলেও গোলের অভাব ছিল না চেলসি-জুভেন্টাস ও ইয়ং বয়েজ-আতালান্তা ম্যাচ দুটিতে। নিজেদের মাঠে চেলসি ৪-০ গোলে রীতিমতো বিধ্বস্ত করেছে জুভেন্টাসকে। একটি করে গোল পেয়েছেন সেন্টারব্যাক ট্রেভোহ চালোবাহ, রাইটব্যাক রিস জেমস, উইঙ্গার ক্যালাম হাডসন-অদয় ও স্ট্রাইকার টিমো ভেরনার।

ওদিকে ইয়ং বয়েজের মাঠে গিয়ে ৩-৩ গোলে ড্র করে এসেছে আতালান্তা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন