বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২-০ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। চ্যাম্পিয়নস লিগে গোল করাকে রুটিন বানিয়ে ফেলা রোনালদোর পা থেকে গোল তো এসেছেই, গোল পেয়েছেন ইংলিশ উইঙ্গার জেডন সানচোও। যাকে আকাশচুম্বী ট্রান্সফার ফি দিয়ে কেনার পরেও খেলানোর সাহস পেতেন না সুলশার। ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার ক্যারিকের অধীনে এসেই যেন সানচোর মনে পড়লো, ঠিক কী কারণে তাঁকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে আনা হয়েছে।

এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে এই নিয়ে পাঁচটা ম্যাচ খেলেছে ইউনাইটেড। প্রত্যেকতাতে গোল করেছেন রোনালদো। এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরোপিয়ান কাপের প্রথম পাঁচ ম্যাচে কোনো ইংলিশ ক্লাবের হয়ে টানা পাঁচ গোল করার কৃতিত্ব আর কারওর নেই।

default-image

সুলশারের দায়িত্বে ইউনাইটেডের হয়ে শেষ গোলটা পেয়েছিলেন ডাচ মিডফিল্ডার ডনি ফন ডে বিক। সানচোর মতো যে ডে বিকও একরকম ব্রাত্যই ছিলেন সুলশারের পরিকল্পনা থেকে। ওয়াটফোর্ডের বিপক্ষে ৪-১ গোলে হারের সেই ম্যাচে ইউনাইটেডের একমাত্র গোলটা করেছিলেন দেখেই কি না, আজ হয়তো ক্যারিকের মনে হয়েছিল, সে ফর্মটা ধরে রাখতে পারবেন এই মিডফিল্ডার। মাঝমাঠে ফ্রেড ও ম্যাকটমিনের সঙ্গে এই ডে বিক তাই জায়গা পেয়েছিলেন মূল একাদশে। সানচো আর রোনালদোর সঙ্গে আক্রমণভাগে ছিলেন অ্যান্থনি মার্সিয়াল।

তবে প্রথম এক ঘন্টায় ভিয়ারিয়ালও গোল করার সুযোগ পেয়েছিল কয়েকটা। লাভ হয়নি। ত্রাতা হয়ে এগিয়ে এসেছিলেন ইউনাইটেডের পুরোনো যোদ্ধা দাভিদ দা হেয়া।

default-image

৭৮ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখা গেলেও আর পারেনি ভিয়ারিয়াল। ইউনাইটেডের ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফ্রেদের প্রেসের কারণে মাঝমাঠে বল হারান ফরাসি মিডফিল্ডার এতিয়েঁ কাপু। সেখান থেকে বল চলে যায় সামনে থাকা রোনালদোর কাছে। দুর্দান্ত এক চিপে ভিয়ারিয়ালের গোলকিপারকে পরাস্ত করেন রোনালদো।

৯০ মিনিটে সানচোর গোলটা অসাধারণ এক প্রতিআক্রমণের ফসল। ম্যাকটমিনে, রাশফোর্ড, রোনালদো হয়ে বল এসেছিল ব্রুনো ফার্নান্দেজের পায়ে। সেখান থেকে সানচো বল নিয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। আর তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায়, গ্রুপের শীর্ষে থেকেই পরের রাউন্ডে যাচ্ছে ইউনাইটেড।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন