বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই মনে করছেন, এভাবে একজন নারী সহকারী রেফারির কাঁধে ও পিঠে হাত রাখা ঠিক হয়নি আগুয়েরোর। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনেও প্রসঙ্গটি উঠেছে। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আগুয়েরোর ঢাল হওয়ার চেষ্টা করেছেন সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা, ‘আরে থামুন, আমার দেখা সবচেয়ে ভালো মানুষ সের্হিও। অন্য কিছুতে সমস্যা খোঁজেন, এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না।’

গার্দিওলা তাঁর অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের পাশে দাঁড়ালেও বিষয়টি ভালো লাগেনি ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার ইয়ান রাইটের। ম্যাচে দিবসের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আগুয়েরোর এমন আচরণকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগের সাবেক রেফারি ক্রিস ফয় এই আচরণকে নিয়ম-বিরুদ্ধ বলছেন। রেফারি সে নারী বা পুরুষই হোক, নিয়ম অনুযায়ী কোনো খেলোয়াড়ই তাঁর গায়ে হাত রাখতে পারবেন না। যদি কেউ এমনটা করেন তাহলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন ফয়।

default-image

স্কাই স্পোর্টসে ম্যাচ শেষের বিশ্লেষণ করেছেন আগুয়েরোর সাবেক সতীর্থ মিকাহ রিচার্ডস। তাঁর কাছে আগুয়েরোর কাণ্ডটি খুব একটা ভালো লাগেনি। আগুয়েরোর কাণ্ড নিয়ে আগ্রহ নেই আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতারও। ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক ইংলিশ রাইট-ব্যাক বলেছেন, ‘তার আসলে এটা করার কোনো প্রয়োজনই চিল না। রেফারিদের শ্রদ্ধা করতে হবে আপনাকে। তবে ম্যাসি-এলিস ঘটনাটা খুব ভালোভাবে সামাল দিয়েছে।’

গার্দিওলা অবশ্য এসব নিয়ে খুব একটা ভাবতে চান না। এ ম্যাচের আগে ঘরের মাঠে লেস্টার সিটির কাছে ৫-২ গোলের হারের ক্ষত মুছে জয়ে ফিরতে পেরেই খুশি সিটির স্প্যানিশ কোচ, ‘আর্সেনালের মতো একটি দল, যারা শিরোপার দাবিদার, তাদের হারাতে পারাটা দুর্দান্ত এক ব্যাপার।’

আর্সেনালের কোচ মিকেল আর্তেতাও আগুয়েরোর কাণ্ড নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রেফারিং নিয়ে। আর্সেনালের একটি কর্নার বিপদমুক্ত করতে গিয়ে বক্সের মধ্যে পা অনেক ওপরে তুলেছিলেন সিটির ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার। সেটি ফাউল ধরা উচিৎ ছিল বলে মনে করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে রেফারি কেন ভিএআরের সাহায্য নিলেন না তা ভেবে একটু অবাকই হয়েছেন আর্তেতা, ‘আমি রেফারিকে এটা দেখতে বলেছিলাম। আমার মনে হয় না বিষয়টি ভিএআর দেখেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি হতাশ।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন