বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীটা চলে গেল নীরবেই! ব্যাপারটা খুবই হতাশার তাঁর জীবনসঙ্গী মাধুরী রায়ের কাছে, ‘এখন আর বাদলের ফোন বেজে ওঠে না। বাদল চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন সবকিছুই নিয়ে গেছে। সে অনেক কিছুর সঙ্গেই জড়িত ছিল; যা করত, হৃদয় দিয়েই করত। কিন্তু কেউ তাঁকে মনে রাখেনি। হাসপাতালের বিছানা থেকে গাফ্ফার ভাই (সাবেক ফুটবলার আবদুল গাফফার) ছিলেন। এখনো শুধু তিনিই আছেন।’

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজন ছিল। বাংলা তিথি মেনে ১২ নভেম্বর ঢাকার ওয়ারীর একটি মন্দিরে নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করেছে তাঁর পরিবার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাদল রায়ের একসময়ে মাঠের অনেক সতীর্থ।

default-image

১৯৭৭ সালে মোহামেডানের জার্সি গায়ে তুলে সেখানেই শেষ করেছেন ক্লাব ক্যারিয়ার। ১৯৮১ ও ১৯৮৬ সালে ছিলেন দলটির অধিনায়ক। ’৮৬–তে লিগ শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। খেলা ছাড়ার পর ফুটবল দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংগঠক হিসেবে জড়িয়ে থেকেছেন ফুটবলের সঙ্গে। বাফুফে ও সোনালি অতীত ছাড়াও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন অসুস্থ হওয়ার আগপর্যন্ত।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন