নেপালের বিপক্ষে জিততে মরিয়া জামাল ভূঁইয়া।
নেপালের বিপক্ষে জিততে মরিয়া জামাল ভূঁইয়া।ছবি: প্রথম আলো

সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রায় দেড় ঘণ্টার অনুশীলন। অনুশীলন শেষে সতীর্থরা যখন বসে বিশ্রাম করছেন, ডাবের পানিতে ভেজাচ্ছেন গলা, তখন মাঠে একা দৌড়াচ্ছিলেন জামাল ভূঁইয়া। নেপালের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ অধিনায়ক এমনটিই করছেন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সাত মাস খেলা বন্ধ ছিল। খেলার বাইরে থেকে ফিটনেসের ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টাই করছেন তিনি।

দীর্ঘ সময় খেলার বাইরে থেকে সোজা আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরা—ব্যাপারটা মোটেও সহজ নয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভালো করার পূর্বশর্তই ফিটনেস। সেটি বাড়তি পরিশ্রম করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে জামাল গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ককে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলেছে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স। ২০১৮ সালে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের স্মৃতি অনেক দিনই তাড়িয়ে বেড়াবে বাংলাদেশকে। তবে গত ডিসেম্বরে সিংহভাগ জাতীয় দলের খেলোয়াড় নিয়ে গড়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল কাঠমান্ডুর এসএ গেমসে নেপালের কাছে হেরেই ফাইনালে উঠতে পারেনি। নেপাল তাই দুশ্চিন্তায় ফেলছে জামালকে।

default-image
বিজ্ঞাপন

এবার ঘরের মাঠে দুটি ম্যাচেই নেপালকে হারাতে চাইছে বাংলাদেশ। এ জন্য রীতিমতো খিদে নিয়েই অপেক্ষা করছে দল, সেটিই জানিয়েছেন অধিনায়ক, ‘বাংলাদেশ এখন ক্ষুধার্ত। আমরা প্রতিটি খেলোয়াড়ই ম্যাচ দুটি জিততে চাই। শেষ দুই ম্যাচে নেপালের কাছে হেরেছি। এ জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে। অনেকেই বলে “তোমরা তো নেপালের সঙ্গেই হেরে যাও।” সে কারণে, আমাদের ভালো খেলতেই হবে, জিততেই হবে এ দুটি ম্যাচ।’ ২০১৫ সালে ঢাকায় প্রীতি ম্যাচে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। গোল করেছিলেন শাখাওয়াত হোসেন।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচ দুটি অনুষ্ঠিত হবে ১৩ ও ১৭ নভেম্বর। প্রস্তুতির জন্য হাতে আছে আর ১০ দিন সময়। কিন্তু এই সময়টা ফিটনেস ফেরানোর জন্য যথেষ্ট মনে হচ্ছে না জামালের কাছে, ‘সত্যি কথা বলতে কি, দলের সব খেলোয়াড় পুরোপুরি ফিট নয়। আমাদের অনেক খেলোয়াড়ের ফিটনেসের অবস্থা খারাপ। এই কদিন আমাদের সবাইকে প্রচুর দৌড়াতে হবে।’

মন্তব্য পড়ুন 0