গত বছর সেপ্টেম্বরে সাও পাওলোয় ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। খেলা শুরুর কয়েক মিনিট পরই ব্রাজিলের জাতীয় স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এজেন্সির (আনভিসা) কর্মকর্তারা মাঠে ঢুকে খেলা পণ্ড করেন। আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়ের বিপক্ষে কোয়ারেন্টিন বিধিমালা ভাঙার অভিযোগে ম্যাচটি খেলতে দেননি তাঁরা।

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা বেশ আগেই দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে কাতার বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করেছে। ১৭ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ব্রাজিল। সমান ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আর্জেন্টিনা। বাছাইপর্বে পণ্ড হওয়া এ ম্যাচই বাকি আছে দুই পরাশক্তির।

ফিফা গত ফেব্রুয়ারিতেই জানিয়েছিল, পণ্ড হওয়া ম্যাচটি পুনরায় খেলতে হবে। ইংল্যান্ডে খেলা আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, জিওভান্নি লো সেলসো, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়াকে সে সময় দুই ম্যাচ নিষিদ্ধও করে ফিফা। দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে জরিমানাও করা হয়। এরপরই আপিল করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন।

ম্যাচটি পণ্ড হওয়ার জন্য তখন দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে করা ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা বহাল রেখেছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। তবে ম্যাচে ‘শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা’ নিশ্চিতে ব্যর্থ হওয়ায় আলাদা করে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনকে (সিবিএফ) পাঁচ লাখ সুইস ফ্রাঁ ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (এফএ) দুই লাখ সুইস ফ্রাঁ জরিমানা করেছিল ফিফা। তা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুই পক্ষের আবেদন বিশ্লেষণ এবং সব পরিস্থিতি বিবেচনার পর ফিফার আপিল কমিটি নিশ্চিত করছে, ম্যাচটি পুনরায় খেলতে হবে।’ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশেন (এফএ) ক্রীড়াক্ষেত্রে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির চূড়ান্ত জায়গা কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) আপিল করবে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি।

ফিফার দ্বিতীয় জরিমানা (শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতা) এবং ম্যাচটি পুনরায় খেলার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে এএফএ। আগামী জুনে অস্ট্রেলিয়ায় একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন