default-image

নেইমারের পর এবার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। দুজনের কথা শুনলে পিএসজি–ভক্তদের আনন্দে আটখানা হওয়াই স্বাভাবিক। হাজার হোক, দাবিটা তো লিওনেল মেসির পিএসজিতে যোগ দেওয়ার। নেইমার আরও একবার খেলতে চান মেসির পাশে। ব্রাজিলিয়ান তারকার ক্লাব সতীর্থ পারেদেস তো মেসিরই স্বদেশি। তাঁরও না চাওয়ার কোনো কারণ নেই। এখন প্রশ্ন হলো, মেসি নিজে কী চান?

উত্তরটা এখন মিলবে না। থাকতে হবে সঠিক সময়ের অপেক্ষায়। মেসি এখনো বার্সেলোনার। অন্তত এ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত। এরপর মেসি চাইলে ও পিএসজির সঙ্গে দেনদরবারে ব্যাটে-বলে মিললে হয়তো নেইমার-পারেদেসদের মনের আশা পূরণ হতে পারে। কিন্তু এর আগ পর্যন্ত পুরো বিষয়টাই স্রেফ সম্ভাবনা। তবে এই সম্ভাবনাও কিন্তু কম নয়! স্পষ্টতই বার্সায় সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত মানসিকভাবে তেমন ভালো নেই মেসি। গত আগস্টে তিনি বার্সা ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশের পর পিছু পিছু ঘুরেছে পিএসজি ও ম্যানচেস্টার সিটি। মেসি সিদ্ধান্ত পাল্টালেও পিএসজির ঝোপ বুঝে কোপ মারার সময় কিন্তু ফুরায়নি। ফরাসি ক্লাবটি শেষ পর্যন্ত কী করে, তা হয়তো বোঝা যাবে মৌসুম শেষে।

বিজ্ঞাপন

পিএসজির আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার পারেদেস পিএসজিকে যেন একটু তাগাদা দিয়ে রাখলেন। তাঁর কথা, ‘মেসি পিএসজিতে আসুক, সেটা আমরা সবাই চাই।’ ওদিকে বার্সা যে মেসিকে ধরে রাখার চেষ্টা করবে, সেটা সবাই জানে। কিন্তু মৌসুম শেষে ফ্রি এজেন্ট হতে বসা মেসি জানুয়ারিতেই অন্য যেকোনো ক্লাবে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে পারবেন। ছয়বারের বর্ষসেরা এ ফুটবলারকে চাইলে যেকোনো ক্লাবই তো কিনতে পারবে না। তাঁর বেতন দিতেই অনেক ক্লাবের ঘাম ছুটে যাবে। পেট্রো ডলারসমৃদ্ধ পিএসজি কিংবা সিটি তো আর তেমন নয়। ৩৩ বছর বয়সী মেসিকে ধরে রাখার সামর্থ্য আছে তাদের।

পারেদেস সম্ভবত এ আশাতেই বলীয়ান হয়ে ইএসপিএনকে বলেছেন, ‘পিএসজিতে মেসি? আমরা সবাই চাই সে আসুক। কিন্তু সিদ্ধান্তটা তাকে নিতে হবে। আমাদের স্কোয়াডটা অবিশ্বাস্য। মানুষগুলোও ভালো। আমরা এসবের সুবিধা পেয়ে থাকি। আগেও বলেছি, আমার আশা লিও নিজের বিষয়ে সেরা সিদ্ধান্তই নেবে। তবে আমরা তাকে দুই হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানাব।’ নেইমারও মেসিকে দেখতে চান পিএসজিতে।

default-image

চ্যাম্পিয়নস লিগে কাল দলের জয়ের পর এমন ইচ্ছা প্রকাশ করেন ব্রাজিল তারকা।
ম্যাচ শেষেই ‘বোমা’টা ফাটান নেইমার। জানান, আগামী মৌসুমেই লিওনেল মেসির সঙ্গে আবার খেলবেন তিনি। পিএসজি তারকার এই আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে রয়েছে দুজনের প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বার্সায় থাকতে মেসির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে নেইমারের।

তিন বছর আগে নেইমার প্যারিসে চলে এলেও ফাটল ধরেনি দুজনের বন্ধুত্বে। আর্জেন্টাইনের প্যারিসে আসা নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি নেইমার, ‘আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো মেসির সঙ্গে আবার খেলা, আবার মাঠে তার খেলাটা উপভোগ করা। সে আমার জায়গায় খেলতে পারে, এ ব্যাপারে আমার কোনো সমস্যা নেই! তবে এটা নিশ্চিত, আগামী বছরই আমি তাঁর সঙ্গে খেলতে চাই। আগামী মৌসুমে আমরা একসঙ্গে খেলব।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন