বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

৮১ ম্যাচ খেলে ৫৩ গোল করেছেন আশফাক। সাফে খেলতে যাওয়া পুরো বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মোট গোল ১৯টি। এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট আশফাকের গোল করার ক্ষমতা।

শুধু ওপেন প্লে-তে নয়, ফ্রি-কিক থেকেও গোল করতে পারদর্শী মালদ্বীপ জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

সাফ ফুটবলের ইতিহাসেও নিজেকে আলাদা আসনে বসিয়ে রেখেছেন আশফাক। এখন পর্যন্ত ২০ গোল করে সাফের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই।

default-image

সাফে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচে একটি করে গোল করেছেন। দুটি ম্যাচেই বাংলাদেশ হেরেছে ৩-১ গোলে। আজ বাংলাদেশের রক্ষণভাগের সব ভাবনা যেন তাঁকে ঘিরে।

আশফাক ছাড়াও মালদ্বীপের আক্রমণভাগের বেশ কয়েকটি সমীহ জাগানো নাম আছে। ৬০ ম্যাচে ১২ গোল আছে আলি ফাসিরের। আরেক ফরোয়ার্ড আসাদ আবদুল্লাহর আছে ৪০ ম্যাচে ৯ গোল। ২০১৬ সালে মালেতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ সাক্ষাতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন আবদুল্লাহ।

default-image

সাফে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের সম্মিলিত ১৯ গোলের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫টি করে গোল ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমানের। তপু ও মাহবুবুর ম্যাচ খেলেছেন যথাক্রমে ৩৮ ও ২৫টি করে।

এর বাইরে বিপলু আহমেদের ৩ গোল ও মতিন মিয়ার ২টি। একটি করে গোল করেছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ইয়াছিন আরাফাত, রেজাউল রেজা ও সাদ উদ্দিন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন